Posts

Showing posts from November, 2020
আজ আমার মনটা ঝটফট করেছে । অতীতের কিছু স্মৃতি আমাকে দুমড়ে মুচরে দিচ্ছে । বার বার একটি মুখ আমার চোখের সামনে ভাসতেছে । যখন আমি ছোট ছিলাম  তখন একজন কে অনেক কষ্ট দিয়েছি । হ্যা আমার বাবার কথা বলছি । মধ্যবিত্ত পরিবারে আদরের সন্তান আমি । আমার বাবা সামান্য বেতনের চাকরি করত । আমাদের পরিবার এর সংসার খরচ বড় ভাই ও বোনের পড়াশোনা এবং হাত খরচ সব ই বাবার সামান্য বেতন হতে । ভাবতেও কষ্ট লাগে কী নির্মম অত্যাচার টা না করেছি বাবার উপর । বাবা এটা লাগবে ওটা লাগবে এত টাকা লাগবে । বুক পকেটে হাত দিয়ে একটু মুচকী হেসে এই চরম মিথ্যা বাদী লোকটিক, বলত  আমি তো টাকা অফিসে রেখে এসেছি তোমাকে পরে দিই । এক রাশ হাসি ভরা মুখে বাবাকে জড়িয়ে ধরতাম । রুক্ষ চেহারা যে কত নক্ষত্রের উজ্জল আলো হয়ে জ্বলে উঠতো বলে বোঝাতে পারবো না । আমি জানি আমার বাবা এনে দিবে অফিসে টাকা আছে । কিন্তূ আজ বুঝেছি বাবা সেদিন ঋন করে কিংবা নিজের সংসার এর খরচা থেকে আমাকে খুশি করছে ।যখন কিছু চেয়ে তাত্‍ক্ষনিক না পেয়েছি মায়ের সাথে ঝগড়া করতাম । বাবা এত টাকা কী করে তখন বুঝি না 5000/6000 হাজার টাকা আসলে একটি পরিবার এর জন্য এক সমুদ্র জল এর মাঝে এক ঘটি জল নেওয়া মাত্র ...
সে আসে, অশ্রু ঝড়ায়  কে'নো ? মলিন চোখে  কাজল ল্যাপ্টে থাকে  নিদ্রাহীনতার! তবে   প্রকৃতি কথা বলে? ফিরিয়ে দেয়?  সময়ের খাজনা।  তবে কেন বা আসে।  নিষিদ্ধ ধোঁয়াতে  মিশে যায় চোখের ধাঁধাতে পূর্ণ বাসনার শশী বাতিতে মিশে যায়, শিরা ও উপশিরাতে।  সুখ, দুঃখ  ক্রোধ ও বিরহে।  মিশে যায়; যেভাবে  নীল মিশে যায়,  আকাশে।  ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকে  প্রতিছাঁয়া হয়ে  রৌদ, বৃষ্টি কিংবা ঝড়ে।  আলো দেখলে, ছুটে আসে  অন্ধকার প্রতিচ্ছবি হয়ে।  রাত এলে মিশে যায় অন্ধকারে,  নিজের ছাঁয়া যেভাবে হারিয়ে যায়  সূর্য ঘুমে ঢ'লে পড়লে।  তবুও আসে নিশিতে  দুরারোগ্য ক্যান্সের মতো থেকে যায়, চাহেনা মোরে ছাড়িতে।  দুঃস্বপ্ন
সে আসে, অশ্রু ঝড়ায়  কে'নো ? মলিন চোখে  কাজল ল্যাপ্টে থাকে  নিদ্রাহীনতার! তবে   প্রকৃতি কথা বলে? ফিরিয়ে দেয়?  সময়ের খাজনা।  তবে কেন বা আসে।  নিষিদ্ধ ধোঁয়াতে  মিশে যায় চোখের ধাঁধাতে পূর্ণ বাসনার শশী বাতিতে মিশে যায়, শিরা ও উপশিরাতে।  সুখ, দুঃখ  ক্রোধ ও বিরহে।  মিশে যায়; যেভাবে  নীল মিশে যায়,  আকাশে।  ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকে  প্রতিছাঁয়া হয়ে  রৌদ, বৃষ্টি কিংবা ঝড়ে।  আলো দেখলে, ছুটে আসে  অন্ধকার প্রতিচ্ছবি হয়ে।  রাত এলে মিশে যায় অন্ধকারে,  নিজের ছাঁয়া যেভাবে হারিয়ে যায়  সূর্য ঘুমে ঢ'লে পড়লে।  তবুও আসে নিশিতে  দুরারোগ্য ক্যান্সের মতো থেকে যায়, চাহেনা মোরে ছাড়িতে।  দুঃস্বপ্ন
নারী সম্পর্কে বিদ্রোহী'র মত এতো সুন্দর উদাহরণ কোন নারীবাদী কখনো দিতে পেরেছে কিনা জানতে ইচ্ছে হয়।   ( কুহেলিকা -একের কিছু অংশ)  নারী শুধু ইঙ্গিত, সে প্রকাশ নয়। নারীকে আমরা দেখি, বেলাভূমে দাঁড়িয়ে – মহাসিন্ধু দেখার মতো। তীরে দাঁড়িয়ে সমুদ্রের যতটুকু দেখা যায়, আমরা নারীকে দেখি ততটুকু। সমুদ্রের জলে আমরা যতটুকু নামতে পারি, নারীর মাঝেও ডুবি ততটুকুই।... সে সর্বদা রহস্যের পর রহস্য-জাল দিয়ে নিজেকে গোপন করছে – এই তার স্বভাব।.কী গভীর রহস্য ওদের চোখে-মুখে। ওরা চাঁদের মতো মায়াবী; তারার মতো সুদূর। ছায়াপথের মতো রহস্য।... শুধু আবছায়া, শুধু গোপন! ওরা যেন পৃথিবী হতে কোটি কোটি মাইল দূরে। গ্রহলোক ওদের চোখে চেয়ে আছে অবাক হয়ে – খুকি যেমন করে সন্ধ্যাতারা দেখে। ওদের হয়তো শুধু দেখা যায়, ধরা যায় না। রাখা যায়, ছোঁয়া যায় না। ওরা যেন চাঁদের শোভা, চোখের জলের বাদলা-রাতে চারপাশের বিষাদ-ঘন মেঘে ইন্দ্রধনুর বৃত্ত রচনা করে। দু-দণ্ডের তরে, তারপর মিলিয়ে যায়। ওরা যেন জলের ঢেউ, ফুলের গন্ধ, পাতার শ্যামলিমা। ওদের অনুভব করো, দেখো, কিন্তু ধরতে যেয়ো না।’ঢেউ ধরতে গেলেই জলে ডুববে। গন্ধ ধরতে গেলেই বিঁধবে কাঁটা। শ্যামলিমা ধরতে গেলে...
১৮'ই আশ্বিন ১৪২৬ ০২'ই নভেম্বর ২০১৯ অ'প্রিয়,  মনের মাঝে গেঁথে থাকা ধুতরা ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করো।  গোলাপের শুভেচ্ছা প্রেরণ করে,  গোলাপের পবিত্রতা হরনের দায় ভার গ্রহণ করতে পারবো না বিধায়, সে শুভেচ্ছা হতে তুমি বঞ্চিত।  যদিও জানি অনেকে তোমার বাহ্যিক রূপের মোহে তোমাকে কত উপমা'তে সাজাতে চাই!  তারা যদি সত্যিকার তুমি কে জানতো, তবে হয়তো।   থাক সে সব কথা,  আজ কয়দিন হলো বৃষ্টি হচ্ছে।  অথচ শরৎ কালে এই ভাবে বৃষ্টি হবার কথা ছিলো না।  শরৎ ' র চোখের জলে নিজেকে ভিজিয়ে তোমাকে লিখতে বসা।  অভিযোগের ডায়েরি থেকে।  শরৎ'র আকাশ'টা এখন ঘন ঘন কাঁদতে বসে,  খুব যত্ন করে, সুর করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে।  বায়না ধরে, না পাওয়ার যন্তনা নিয়ে, যেভাবে আমার ছোট্ট মেয়েটি কাঁদে দীর্ঘ সময় অব্ধি।     অথচ শ্রাবণের আকাশের,  এই ভাবে কাঁদার কোন প্রশ্নই আসে না!  প্রকৃতি পরম মমতায় শরৎ কে উজাড় করে সৌন্দর্য দিয়েছে।   " দু-চালা কুঁড়ে ঘর দেখেছো কখনো"? একবার আমাদের গ্রামের থেকে বেশ দূরে এক গ্রামে,  মায়ের নিকট বর্তী এক আত্মীয় ' র মৃত্যু লাশ দেখতে গেছিলাম। লাশ বলতে মনে পড়ে গেলো স্বজন হারা "মান...
পূণ্যের খাতা শূন্য মোর ০৩/১১/২০১৪ নেশার আলোতে নেশা গ্রস্থ সকলে  দু'ই একজন বড্ড বে-লাইনের । ওরা নেশা করে না , কারন ওরা খারাপ ! এখানে আজ কড়জোরে দু হাত- একত্র ,বসে আছে দেবতা সব । অসূরেরা করছে শাসন, স্বর্গলোক । শকুনের আর্তনাদ এখানে বড় সুমধুর  কোকিলের গান হয়ে উঠেছে তিক্ত।  সুরে সুরেলা মেয়েরা এখানে বড় নিকৃষ্ট । মাঝ রাতের নিষিদ্ধ নারীর শীৎকার এখানে , বড়ই আকৃষ্ট । ভূমিষ্ট হয়েছে যে শিশুটি, একটু আগে সে ও জানে  এখানে জম্ম নিতে হলে কর দিতে হয় ।  কারন , দেবতা  এখানে অসূরের দাস ।  চোখের জলের মূল্য ,  দিতে জানে না কেউ । অর্থ লোভ লালসা ঘিরে আছে এখানে । গরীবের বুকে পারা দিয়ে ,  ধনীরা হয় সমাজ শ্রেষ্ট । পথ ভুলে চলে এসেছি প্রভু  অচিন পথে  ক্ষম করো তুমি, মোরে ।  কি দেখার কথা ছিল ?  আজ কি দেখি ! সৃষ্টি নজর দারী করতে চায় স্রষ্টার।  আমাকে আলোর পথে অভিসারী কর তুমি ।  তব নহে মরনের বার্তা দাও প্রেরন করে । এই পাপিষ্ঠ শহরে ,আমি ও যে - নষ্ট হয়ে যাচ্ছি ধীরে ধীরে ।  শেষ বিচারের হিসাবের খাতা শূন্য মোর , পূর্ন হবে কি করে পূণ্যতে । এই পাপিষ্ঠ নগরীতে , মানুষ -সেজে দেবতা ।  তোমাকে করিতে চায় শাসন !
এক আত্মার অলিখিত কথা।  সূর্য অজানাতে ডুব দেওয়ার পর। যেমন, প্রকৃতি রক্তিম মেঘে নিজেকে আলোকিত করতে চেয়ে ব্যার্থ  হয়।  রাতের অন্ধকারের চাদরে ঢেকে যায়। তেমনি আমার চারিপাশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে।  পায়ের নিচ হতে ক্রমশ, যন্ত্রণা টা খুব ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠছে।  ঝাপসা হয়ে উঠচ্ছে আমার চারপাশ,  কান্না আর প্রার্থনা ভেসে আসছে। আতর  সুগন্ধি র তীব্র ঘ্রাণ, অথচ এক সময় এতো তীব্র সুগন্ধি ব্যবহার করে, আমার পাশে আসতো না।  শরীর টা খুব ব্যথা,  কেউ ছুঁয়ে দিলে চিৎকার করতে ইচ্ছে হচ্ছে।  বয়স হয়েছে  লোক লজ্জার ভয়ে চিৎকার করতে পারছি না।     ভীষণ পিপাসা পেয়েছে,  কলিজা 'টা যেন শত শত বছর জলের সংস্পর্শে আসে নি।  সবাই ব্যস্ত!  আমাকে এক গ্লাস পানি দিয়ে সাহায্য করার মত কেউ এখানে নেই।  অথচ এরা'ই নাকি আমার আপন!    কি ভয়ংকর এক স্বপ্ন দেখলাম মাত্র,  চোখের সামনে থেকে কোন মতে দৃশ্য টা দূরে সরে যাচ্ছে না।   হঠাৎ বাড়িতে এতো মানুষের আনাগোনা, সবার মুখে আমার নাম।  এক টু অবাক হলাম, এরা কি পাগল হয়ে গেছে?  হাসি পাচ্ছিল, তাদের কর্মকান্ড দেখে৷   কিন্তু শত চেষ্টা করেও হাসতে পারেনি,  খুব ব্যথা শরীরে।  প্রতিটি শিরা উপশিরাতে। এ...
ফিরে যেতে আসা  ০৩/১১/১৫ আমাকে আর কি ধ্বংস করবে তুমি?   মহাকালের ডাকে সে কবে নিজেকে বিসর্জন করেছি।  আমাকে আর কিসের দহণে ভৎস করবে?  আমি তো সেই কবে প্রেমের চিতা জেলে,  সে অনলে ভৎস হয়েছি ।   আমার নয়ন জলে পদ্মার বুকে কাঁপন ওঠে  যমুনার অশান্ত ঢেউয়ের আঘাত   চপঘাত সৃষ্টি করে, কাঁদবে?    কি করে ?  মরুর বুকে প্রবাহমান সাইমুন লন্ডভন্ড করে ; এই বুকে এসে প্রশান্তির ছায়াতলে নতজানু হয়। কিসের ভয় দেখাবে তুমি ? হারাতে হারাতে কবে নিজেকে, হারিয়ে ফেলেছি -  এখন কোন কিছু হারানোর ভয়ে   বীভৎস স্বপ্ন দেখে,  জেগে উঠি না ।  এমন কি প্রিয় হারানোর ভয়   আমাকে ঘিরে ধরে না ।  আমি জানি - যে কাছে আসে , সে ফিরে যেতেই আসে ।