অস্পর্শীত ব্যথ্যা থেকে থেকে বুকের বাম দিকটাতে টনটন করে ওঠে । কষ্টের কীট কুরেকুরে খাই ক্ষতবিক্ষত কলিজাকে- আমার হৃৎপিন্ড থেমে যেতে চাই ক্ষনেক্ষনে । বুকের ঠিক বাম দিকটাতে , হাত ঢুকিয়ে খুজতে থাকি , কিন্তু কি খুজে চলি ? আমার হাত যেয়ে মুঠো দিয়ে ছিড়ে আনে কলিজা! না এখানে নেই ! আমার কিডনি , আমার হৃৎপিন্ড নিকোটিন ভর্তি আমার ফুসফুসে ! কোথাও কিছু নেই ! তবে এত ব্যথ্যা কিসের ? ক্ষনে ক্ষনে চাওয়া পাওয়ার হিসাব কষে কে ? কে চিৎকার করে কেঁদে উঠে ? কে সে ? না পাওয়ার ব্যথ্যায় ব্যাথ্যীত হয়ে , বলে ওঠে আমি তো কিছুই পেলাম না। আমার শরীরের রক্তে আমি প্রভাত স্লান কর- জিজ্ঞাসু নয়ন চেয়ে থাকি , কোথায় ব্যথ্যা ? ঠিক কোন দিকটাতে এত যন্ত্রনা ! মাঝে মাঝে চিৎকার দিতে মনে চাই , মনে চাই ধ্বংসের লীলায় মাততে ! আমি তো ধ্বংস করতে পারি না - না পারি সৃষ্টির উল্লাসে প্রলয় নৃত্য করতে ! উহ কি ভীষম যন্ত্রনা বুকে , মানুষের এই শহরে আমি একটি মানুষ খুজে চলি ! নেই কোথাও নেই একটা মানুষ, মানুষের বড় অভাব এই ভবের শহরে। আমি একটু ছায়া চাই , একটু আশ্রয় ! আমি আমার ব্যথ্যাকে স্পর্শ করতে চাই , দুই হাতে আদর করে , আ...
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
আর্দশ নগরী আগুন জ্বালাও,দাসত্বের দোওয়ারে- যেখানে অত্যাচারীরা নির্ভয়ে চলে । আগুন জ্বালাও,রাজতন্ত্রের চেয়ারে- যেখানে গণতন্ত্র আহা হাকার করে । আগুন জ্বালাও,সৈরাচারীর শরীরে- পোষা কুকুর দিয়ে যেখানে মানুষের রক্তে হলি খেলে । আগুন জ্বালাও তুমি , ঐ বেশ ধারী সত্বীর দেহে । যে রাজ পথে হিজাবের নামে বক্ষ প্রর্দশন করে । জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও সব । আগুন জ্বলতে দাও রাজপথে । এখানে ধর্ষিতার আর্ত চিত্কারে সকলে -অট্ট হাসি হাসে । বেশ্যার শীত্কারে পাগল পারা হয়ে ছুটে চলে । এখানে চোখের জল ধূলিকনাতে হারিয়ে যাবে । কুয়াশা চারিপাশ মানুষ নামে অমানুষের বসবাস । আগুন জ্বালাও, বন্ধু তুমি । শ্মসান করে দাও এই অমানুষের বসত ভূমি । তবেই যদি শুদ্ধ হয় , গঢ়ে ওঠে আবার নতুন করে এক আর্দশ নগরী ।
- Get link
- X
- Other Apps
কাবার অপমান করে যারা তাদের রক্তে এই ভূমি হোক লাল ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করো , হৃদয়ে আমার আগুন জ্বলে । ফাঁসির রশি প্রস্তুত করো , আমার হাতে অস্ত্র আছে । কোথায় হে মহামান্য বিচারপতি ? অডার অডার বলুন । বলুন হে মহামান্য বিচারপতি , বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনে ৩০২ ধারা মোতাবেক অরণ্যের ফাঁসি। লাথি মারি তোর সংবিধানে , লাথি মারি তোর আইনে । লাথি মারি ঐ সংসদে , লাথি মারি তোর গণভবনে । আগুন জ্বালাবো ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এ । আগুন জ্বালাবো ৫১,০১,০০,৫০০বর্গ কিলোমিটারে । আমার চোখে এখন চৈত্রের কাঠ ফাটা রৌদ । জ্বালিয়ে দিবো পুড়িয়ে দিবো সব - মৃত্যুর উল্লাসে হাসবো আমি হাঁ হাঁ । আমার চোখে স্বপ্ন নেই , আমার নেই মৃত্যুর ভয় । দালালের ঘরে আগুন জ্বালবো এই তো আমার অভিলাষ । আমার কাবারে অপমান করে যে জন , তার রক্তে স্লান করবো না যত ক্ষন। আগুন জ্বলবে ততক্ষন , এই হৃদয়ে । শুয়োরের দল সব , বলে কি না মন্দির ভেঙেছে মুসলমান ? ওরে ও জম্ম পরিচয়হীন জারজের দল - বলিস না কেনো তোর অবৈধ্য জম্মের পিতা , অপমান করেছে কাবা ঘর । মিডিয়া আছে যত সব যেন হিন্দুর ঔরসে জম্ম পরিচয় হীন এক একটি জারজ। মহামান্য বিচারপতি ক্ষমা করুন , এই মূহুর্তে আমি মানুষ নেই...
- Get link
- X
- Other Apps
( __গান__ ) ভালো থাকার দাবি,প্রতিদিন আসে । ও___ ভালো থাকার দাবি,প্রতিদিন আসে । তোর মত করে কেও বলে না তো । ও__ তোর মত করে কেও বলে না তো। কেমন আছো তুমি , ভালো আছতো , তুমি আছতো । ভালো থাকার দাবি প্রতিদিন আসে ও__ ভালো থাকার দাবি প্রতিদিন আসে তোর মত করে কেও বলেনা তো , ও__ তোর মত করে কেও বলেনা তো । ভালো আছতো , ভালো আছতো । সারাটা দিন কেমন ছিলে তুমি , সারাটা দিন । ভালো আছতো তুমি , ভালো আছোতো । মনের কথা জানতে চাই সকলে . তোর মত করে কেও বলে না তো । তোর মত করে কেও বলেনা তো । চোখের কোনে কেনো জল ঝরেছিল , তোমার চোখের কোনে কেনো জল ঝরেছিল । ভালো আছোতো তুমি ভালো আছোতো । হৃদয় ছুয়ে কেও দেখে না ওরে তোর মত করে । ভালো থাকার দাবি সকলে করে । কি করে বলি বল তুই আমারে ভালো কি থাকা ওরে তোরে ছেরে । (#কাজী_জামান ভাইয়া সুরের অপেক্ষাতে )
- Get link
- X
- Other Apps
(__গান__) বন্ধু ওগো বন্ধু , বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম তোমারে রঙিন খামে । দেখো খুলে যদি মনে বলে । বন্ধু__ তুমি আছো কেমন , সুখে আছো না দুঃখে জানিও উত্তর লিখে । আমি আছি এখন একাকী প্রহরে । নিঃসঙ্গ রাত্রি সঙ্গ দেয় যে মোরে । ঝরা ফুলের পাপড়ী , মনে করিয়ে দেয় তোমারে । ওগো বন্ধু তুমি কেমন আছো সুখে না দুঃখে । ফিরে তুমি আসবে না জানি সে কথা । তবুও যে প্রতিক্ষায় কাটায় প্রহর আমি একা । বন্ধু ওগো বন্ধু, বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম রঙিন খামে । বিষন্নতায় লেখা আমার এই চিঠি ছুরে ফেলোনা তুমি নদীর জলে । ওগো বন্ধু __ দিও না ফেলে । চোখের লোনা জল আছে মেশানো এই শেষ চিঠিতে । বন্ধু ওগো বন্ধু , বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম রঙিন খামে । (#কাজী_জামান ভাইয়া সুরের অপেক্ষাতে )
- Get link
- X
- Other Apps
ফিরে যেতে আসা ০৩/১১/১৫ আমাকে আর কি ধ্বংস করবে তুমি? মহাকালের ডাকে সে কবে নিজেকে বিসর্জন করেছি। আমাকে আর কিসের দহণে ভস্ম করবে? আমি তো সেই কবে প্রেমের চিতা জেলে, সে অনলে ভস্ম হয়েছি । আমার নয়ন জলে পদ্মার বুকে কাঁপন ওঠে যমুনার অশান্ত ঢেউয়ের আঘাত চপঘাত সৃষ্টি করে, কাঁদবে? কি করে ? মরুর বুকে প্রবাহমান সাইমুন লন্ডভন্ড করে ; এই বুকে এসে প্রশান্তির ছায়াতলে নতজানু হয়। কিসের ভয় দেখাবে তুমি ? হারাতে হারাতে কবে নিজেকে, হারিয়ে ফেলেছি - এখন কোন কিছু হারানোর ভয়ে বীভৎস স্বপ্ন দেখে, জেগে উঠি না । এমন কি প্রিয় হারানোর ভয় আমাকে ঘিরে ধরে না । আমি জানি - যে কাছে আসে , সে ফিরে যেতেই আসে ।
- Get link
- X
- Other Apps
লিখবো না ভেবেই লিখেছি শরৎ এর আকাশের নীলাভ রূপ দেখে আর লিখবো না কবিতা, কোকিল তুমি সুরে সুরে যত ইচ্ছে আমাকে মুগ্ধ করো না কেনো ? আমি লিখবো আর কোন কবিতা । শীতে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাক , আমার সকাল দুপুর রাত সত্যি বলছি কবিতা ভাববো না তোমাকে আর ,লিখবো না তোমাকে। ক্লান্ত শরীরে বিছানাতে তন্দ্রার ঘোরে ডাকবো না আর তোমাকে । চাঁদের মায়া বিছিয়ে দিলে , দুই চোখ বন্ধ করে নিবো ভুলে যাবো নিজের আপন সত্ত্বা কে , দেখবো না আর তোমাকে । বর্ষার বারি যখন ছুঁয়ে যাবে আমাকে , নিজেকে শুষে নিবো প্রেম অনলে। গ্রীষ্মের কাঠফাটা রৌদ্দুরে জ্বালিয়ে নিবো নিজেকে , আমাকে জ্বালাবে , তুমি ! কোন অনলে ? যে নিজের মাঝে লালন করে সপ্ত নরক কে । আমি লিখবো না ভেবেই লিখছি তবুও কেনো জানি তোমাকে , ঘৃণা করবো জেনেই , ভালোবেসে ফেলি গভীর ভাবে । তবুও লিখবো না , লিখবো না আর লিখবো না কবিতা তোমাকে । তবুও লিখেই চলেছি অনায়াসে ।