Posts

অভিমান ও অভিযোগ  ভালোবাসা ও ছলনা আমার দুই চোখ, দেখে ভিন্ন ভিন্ন। আমার দুই হাত এক হাতে স্বর্গ অন্য হাতে নরক। কখনো ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয় কখনো দূরে হারিয়ে যেতে। কখনো তোমাকে দেখি - কখনো তোমার ছলনাকে। কখনো ক্ষোভে অভিমানে হই হিংস্র কখনো তোমার আঁচলে মুখ লুকিয়ে ছোট্ট শিশু। কখনো কখনো ইশ্বর মনে হয় নিজেকে- সকল বাধাকে উপেক্ষা করে, সব নিয়ম কানুন পদতলে রেখে হাসতে ইচ্ছে হয় বিজয়ের হাসি। কখনো কখনো নিজেকে বড় অপরাধী ভাবতে ইচ্ছে হয়, মনে হয় জগৎ জুড়ে যতো পাপ সব কারনে মিশে আছি আমি! আমি যেন অলিখিত ইবলিশ শয়তান। নিজেকে নিয়ে ভাবতে বড্ড ভালো লাগে এখন - নিজেকে অবতার ভেবে, জনসস্মুখে মুচকি হেসে আসি ইচ্ছে হলে। দিন ও রাত সকাল ও সন্ধ্যা পৃথিবীর কক্ষ পথে পা রেখেছি আমার মস্তিক জুড়ে এলোমেলো চিন্তাধারা আমি বোধ করি পাগল হয়ে যাচ্ছি।
কবির অভিমান আকাশের বুক ফেরে বৃষ্টি ঝড়ে , পাহাড়ের বুক হতে ঝর্ণা । বেদনায় আহত মানুষ গুলো ক্ষতবিক্ষত , কেউ তার খবর রাখে না । কলমের কালিতে, ডায়েরীর পাতাতে আহত কবির কান্না কেউ শুনে না । কবি ও কবিতা মিলে মিশে একাকার ,তবুও কেন ক্ষত স্মৃতির ছিড়া পাতা । তুমি কাঁদো , সে কাঁদে , আমি ওকাঁদি ! যেনো কান্নার মেলা । কত শত প্রজাপতি পাখা মেলে , কত প্রজাপতি রঙ ছড়াই । এতো হাসি -এতো হাসি ,তবুও কান্নার তীব্র চিৎকার আহত কবি, নিকোটিনের সাদা ধোঁয়া ছেড়ে বলে- কবিতা আর লিখবো না ! কবি অভিমান করে বলে , কবি সত্যি করে বলে , কবি বিরহের সাথে বলে - লিখবো না আর কোন কবিতা , কবি চিৎকার করে বলে "কবিতা তোমায় বিদায়" । রাতের আধারে কবি অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে কাঁদে ,কবিতা বিহনে । বৃষ্টির জলে কবি অশ্রু ঝড়ায় অতি গোপনে , কবিতা বিহনে । ব্যস্ত শহরে কোটি মানুষের ভিড়ে কবি হাতড়ে ফিরে । নির্লজ্জ , বেহায়া কবি শুধু বিরহ স্মৃতির গান গেয়ে চলে । তবুও পদ পৃষ্ঠ হওয়া আহত বকুলের ভাঙা পাপড়ী বুকে টেনে - কবি যখন মালা গাথতে বসে , কি এক কমল শিশু সুলভ দৃষ্টিতে ভরে ওঠে কবির মন । যেন সদ্যভূমিষ্ঠ কোন এক শিশু ! তবু ও কবি মাঝে মাঝে চিৎকার করে ওঠে - ...
"জীবিত ছিলাম না আমি" আমাকে একটি কবিতা লেখার অনুমতি দেওয়া হোক । আমাকে আমার মত করে জ্বলতে দেওয়া হোক । প্রেয়সীর গোলাপ পাপড়ী অধরে চুম্বন করে এসেছি ,  মায়ের আঁচলে সময় পেলে ,এখন ও মাথা রাখি । সময়ের মুখে লাথি মেরে ,বাবার কাঁধে মাথা রাখি । ভাইয়ের শাসন , বোনের আদরের রতন - তবুও আমি জ্বলতে জানি । আমার ভিতরে আর এক আমি , দিবা -নিশি কেঁদে ফিরে । মুক্তি চাই মুক্তি ! স্বাধীনতা দেখতে চাই । বিবেকের শরীরে পড়িয়ে দেওয়া বোরকা ছিরতে চাই আমি । বিবেকের শরীরে হাতরে হাতরে - তাকে যন্ত্রনা দিতে চাই । আমার শারীরিক ক্ষুধা আছে , আমার মানষিক ক্ষুধা আছে । সব ক্ষুধাকে জীবিত কবর দিয়ে এসেছি - তোমাদের এই তল্লাটে । আর কত লাশ , আর কত মায়ের বুক খালি হলে - তোমরা অপরাধ স্বীকার করবে ? কত বোনের নগ্ন শরীরে , তোমরা স্বীকার করবে - লম্পটের জম্মদাত্রী তোমরাই ? আকাশে শকুনের চিত্‍কার - এই বাংলার বুকে হিংস্র শুয়োরের তান্ডব ।  আমাকে লিখতে দাও , আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই ! আমি মরণকে খুজে ফিরি জম্ম জম্মান্তর । যেখানে স্বাধীনতা নেই , যেখানে বাক শক্তি কেড়ে নেওয়া হয়- যেখানে সাংবাদিকের কলম উল্টা চলে । যেখানে প্রতিবাদী কবি কে , দেশদ্রোহী...
এসো নীরবে,  চুপি চুপি নিবৃত্তে ।   চলো হারায় এই সুখের পথে। এখানে মুঠো মুঠো সুখ বিকায় দক্ষিণা বায়ু। স্রোতের ধারা বয়ে লয়ে যায় অনাবিল আনন্দ। চোখের লোনা জল মুছে ফেলেছি,  নদীর জলে ফোটা ফোটা অশ্রু মিশে যায় ।  কেউ কখনো জানতে ও পারবে না,  তুমি এসেছিলে গৌধুলী লগ্নে  কিংবা প্রভাতে; প্রবাহিত এই নদীর ধারায়।  ভেজা পা নিয়ে ফিরে যেও সুখের স্বর্গে। আমি ধূলি কণার মাঝে মিশে যাবো,  মৃত্তিকার গভীরে। ( আহত স্মৃতি )
চিঠির জন্য প্রতীক্ষা  ২৯/০৭/২০ হঠাৎ অবেলায় পড়লে মনে,  লিখো ; চিঠি, সংগোপনে।  না হয়, সে চিঠি, থাকলো পড়ে!  অভিযোগ, অভিমান, আর পুরাতন কিছু স্মৃতি বুকে জড়িয়ে।  আ'হা ; আমি জানি  এই প্রযুক্তির যুগে  চিঠি চাওয়াটা বড় পাগলামী।  তবুও,  আমার যত খুনসুটি  সেই তো ; সে'ই তোকে ঘিরে'ই।  তুই হীনা যেন শূন্য  আকাশের ন্যায় সীমাহীন  এক,শুষ্ক শূন্যতা।  বেঁচে আছি  অবুঝ কিছু চাওয়ার ভিত্তিতে  বেঁচে আছি  পাবো না, জেনেও ;পাবার আশাতে।  এ যেন  আরও কিছু দিন  বেঁচে থাকতে চাই , তার মিথ্যা অজুহাত।  তবুও মাঝে মাঝে  তীব্র ইচ্ছে, কৃষ্ণগহব্বরের ন্যায়  রূপ ধারণ করে।  একটি চিঠির প্রতিক্ষায়  কেটে যায়, আমার রাত -দিন সপ্তাহ থেকে মাস।  মাস থেকে বছর  বছর থেকে যুগ  যুগ থেকে শতাব্দী।  এই'তো সহস্র বছর  ছুঁই ছুঁই  আর মাত্র কয়য়েক দিন  কিংবা মাস, কিংবা বছর  তোর অলিখিত চিঠির প্রতিক্ষায়  শেষ নিঃশ্বাস ছেড়ে দিয়ে।  জীবন কে বলে দেবো  এই বার' জীবন তোমায়  দিলাম ছুটি । ছবি ; গুগল
আত্মহুতি ধর্ষিতার করুন চিত্‍কার,পতিতার শীত্‍কার মিলে মিশে একাকার । রাতের আধারে কিংবা দিনের আলোতে  সব আজ পরিষ্কার । আজ এই শহরে কার্ফূ জারি হয়েছে ! হয়েছে একশো চুয়াল্লিশ ধারা । বৃষ্টিরধারা হয়ে ঝড়ছে শিসা । কালো কাঁচে ঢাকা গাড়িতে চলছে,  যতসব দুপায়ে শুয়োরের বাচ্চা । মানব রূপে দানব সব , মানুষের রক্তে লিখতে চাই মানবতা । ঐ তো আসছে ভূমি দস্যূ , ছুটছে বলে স্বাধীনতা স্বাধীনতা ! ক্ষুধার্ত শিশু কাঁদছে , ভীষণ ক্ষুধায়।  জম্ম-জম্মান্তের ক্ষুধা তার, শিকলে বাঁধা।  ঘৃণা আর প্রতিহিংসা, চিৎকার করে বলে,  শিকল খুলে দে হারামজাদা , বাধন খুলে দে - আমার পায়ে আটকানো বেড়ি খুলে দে, ওরেও নিষিদ্ধ পল্লীতে জম্মানো অমানুষের বাচ্চা । হিংস্র শুয়োর দু-পায়ে দাড়িয়ে আজ , মানুষের রক্তে মানবতার ইতিহাস লিখতে চাই ! হে মোর জম্মভূমি ,এসো পদচুম্বন করো মোর !  অবাক চেয়ে , কি দেখো ? এ কেমন সন্তান ;জননীরে বলে পদচুম্বন করতে ! অবাক হবার কি আছে ? যে মাতা সন্তানের লালসায় দগ্ধ হয় অনারবত , চেতনায় উত্তজীব্বিত সন্তানের হাতে হয় ধর্ষিত। আমিতো চেতনার ক্ষুধা নিবারণ করতে চাই'না । ধর্ষণ হবার চেয়ে, পদচুম্বন  শ্রেয় না?     এ কী এ কী?      সত্যি সত্য...
প্রেমিকার বিক্রয় হওয়া হৃদয় ছুয়ে দেখেছি,  কী ভীষণ  নির্মম আর গাঢ় কালো।   পাপ আর পাপ, আমি নরকে বসত করে, স্বর্গের স্নিগ্ধ বাতাস খুজে চলেছি।  ঈশ্বর।  প্রেম কি শুধু বিনিময়ের মাধ্যম?  হৃদয়ের সাথে হৃদয়  কায়াতে মিলে কায়া ; প্রেম কি সৃষ্টির মাধ্যম?  প্রেম কি পুণ্যতা?  আমি তো দেখেছি ; প্রেমিকার প্রেম - বিক্রি হয়  রাত ও দিনের মধ্যভাগে।  শহরের খোলা মাঠে  মাদকের অন্ধকারে  তারা উঠে যায়  এক নরকে।  সে ফিরে আসে,  সে ফিরে ফিরে আসে।  হারিয়ে না, বিক্রি করে আসে নিজেকে।  আমি ছুঁয়ে দেখেছি  সে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ; শুধু কামনা আর পাপ জমে আছে।  অথচ  ওরা বলে প্রেম নাকি  ঈশ্বর প্রদত্ত!  ঈশ্বর,  একথা শুনে  তুমি ও কি মুখ লুকাও?  ( প্রেম )