লিখবো না ভেবেই লিখেছি শরৎ এর আকাশের নীলাভ রূপ দেখে আর লিখবো না কবিতা, কোকিল তুমি সুরে সুরে যত ইচ্ছে আমাকে মুগ্ধ করো না কেনো ? আমি লিখবো আর কোন কবিতা । শীতে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাক , আমার সকাল দুপুর রাত সত্যি বলছি কবিতা ভাববো না তোমাকে আর ,লিখবো না তোমাকে। ক্লান্ত শরীরে বিছানাতে তন্দ্রার ঘোরে ডাকবো না আর তোমাকে । চাঁদের মায়া বিছিয়ে দিলে , দুই চোখ বন্ধ করে নিবো ভুলে যাবো নিজের আপন সত্ত্বা কে , দেখবো না আর তোমাকে । বর্ষার বারি যখন ছুঁয়ে যাবে আমাকে , নিজেকে শুষে নিবো প্রেম অনলে। গ্রীষ্মের কাঠফাটা রৌদ্দুরে জ্বালিয়ে নিবো নিজেকে , আমাকে জ্বালাবে , তুমি ! কোন অনলে ? যে নিজের মাঝে লালন করে সপ্ত নরক কে । আমি লিখবো না ভেবেই লিখছি তবুও কেনো জানি তোমাকে , ঘৃণা করবো জেনেই , ভালোবেসে ফেলি গভীর ভাবে । তবুও লিখবো না , লিখবো না আর লিখবো না কবিতা তোমাকে । তবুও লিখেই চলেছি অনায়াসে ।
Posts
- Get link
- X
- Other Apps
কাঁদবি কতো? কাঁদ হে রাষ্ট্র। ছি রাষ্ট্র ছি! কিসের এতো মায়া কান্না? ছি রাষ্ট্র ছি! দুধ কলা দিয়ে পুষতেছিস সর্প বড় যত্ন করে। ছি রাষ্ট্র ছি! জবাব দিবি তুই কী? পিতা তার গেছে বাহিরে, প্রতিক্ষায় আছে, অবুঝ শিশু বাড়ি ফিরে বুকে টেনে নিবে পিতা। প্রতিক্ষায় আছে বধূ প্রতিক্ষায় আছে বাবা মা। সন্তান যে গেছে, কেন ঘরে ফিরে আসে না। ছি রাষ্ট্র ছি! পুলিশ পুষে, বেতন দিতে পারিস না চেয়ে দেখ হে রাষ্ট্র এক শিশুর পিতাহারা কান্না। চেয়ে দেখ রাষ্ট্র, দুধ কলা দিয়ে পুষেছিলি যারে সে মানুষ রূপে, শয়তান ছাড়া আর কেউ না। অবৈধ্য টাকা ছাড়া, তাদের পেট ভরে না। অথচ, এই তোর শিক্ষিত আর্দশ সন্তান গর্বে নাকি তোর জীবন বাঁচে না। ছি রাষ্ট্র ছি, ছি রাষ্ট্র ছি ধিক্কার তোমায় হে রাষ্ট্র। তোমার কোল আজ প্রদীপ, আকবরের ; ন্যায় জারজে ভরা।
- Get link
- X
- Other Apps
ক্রোধ ০৮/১০/২০ হে প্রিয় রাষ্ট্র, অজস্র সেচ্ছাদাসী আছে। যে বা যাহারা ক্ষমতার লোভে, দেহ ত্যাগে আনন্দ উপভোগ করে। সেসব রক্ষিতা থাকতে, কেন? অসহায় নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পরচ্ছে। তোমার দাঁতাল শুয়োর গুলো। কেনো বস্ত্রহীন করছে মা বোন কে? হে রাষ্ট্র, তুমি শুয়োর পালন করো। অথচ কচু খেত রাখো না? আমি বিশ্বাস করি না। আমি দল জানি না, জাতি জানি না আমি জানি ধর্ষক এক কলঙ্কের নাম। আমি জানি, ধর্ষকের আশ্রয় দাতারা এক অভিশাপের নাম। প্রিয় রাষ্ট্র, আমি ফেলিনিকে ভুলেছি তিস্তার জল পাবো পাবো করেও হারিয়েছি। তবুও নিশ্চুপ ছিলাম, শত্রুর দোসর মাথার ওপর বসে আছে জানি। প্রিয় রাষ্ট্র, তুমি তনু কে দেখেছিলে? আ'হা বীভৎস সে লাশ। আমি তো তোমার পতাকায় দেখি ধর্ষিতার রক্ত। প্রিয় রাষ্ট্র, আমরা বিশ্ব্জিৎ কে ভুলে গেছি। আবরার কে ভুলে গেছি। কোন, আবরার যেনো? ওই যে? ভারতের গোলামীর বিরুদ্ধে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখার লড়াইয়ে প্রথম শহীদ। পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিলো! যারা হত্যা করেছিলো, তারা আর কেউ না এই দেশের বুকে বেড়ে ওঠা ভারতের জারজ সন্তান। প্রিয় রাষ...
- Get link
- X
- Other Apps
আচ্ছা! সে গায়ে কী? এখনো ভালোবাসা পাওয়া যায়? দু-হাত ভরে, কাচাসোনা আমন গোলায় ওঠে? মেঠোপথে ধূলি উড়িয়ে গরু/ মহিষ যায় ? আগের মতো। মধ্যাহ্নে, দিঘি জলে পল্লীবালকেরা সাঁতার কাটে? কিছু যদি লিখার না'ই থাকে। তবে লিখো বুনো হলুদের ফুল ফোটা,কিংবা? বর্ষা শেষে'ও কদমের নতুন করে ফুটে ওঠা। বিন্দু মাত্র বিরক্ত হবোনা, শরতের শেষ রাতে শিশির ভেজা শিউলি ঝরার শব্দ যদি লেখো। টুপ টপ, টুপ টপ,সে শব্দ। ডাহুক ডাকে? আগের সে সুকরুণ সুরে, জোনাক আর পেঁচার গল্প লিখো। কিছু লিখো, হোক সেটা কলমের আঁকিবুঁকি। সাজিয়ে লিখো কিংবা এলোমেলো যেমন ইচ্ছে হয়, লিখো যদি ইচ্ছে না হয়, তবুও লিখো ইচ্ছে তোমার হচ্ছে না। তবুও হলুদ খামে ভরে এক টুকরো কাগজ পাঠিও। আ'হা কতোদিন ডাক পিয়নের, ডাক শুনি না। হলুদ খাম ছিরে, হৃদয়ের অনুভূতি পড়ি না। """চিঠি ""
- Get link
- X
- Other Apps
কাল চক্রের, চক্রে পড়ে ফের যদি দেখা হয়ে যাই দু'জনে! দু'চোখ ফিরিয়ে নিবো। চেয়ে দেখবো না, ডাগর ও দুই আঁখিপাতে কোন মেঘে ভিজে যা-ও, তুমি। কোন মেঘে থাকো উদাস এখন৷ কোন বসন্তে ভীষণ তৃষ্ণার্ত থাকো তুমি? কোন আকাশে থাকো চেয়ে! প্রশ্ন করবো না, আর আমি। কোন জলে হাসতে তুমি, কোন বাতাসে ভাসতে। কোন ভোরে কাঁদতে তুমি, ডাহুকের দুঃখে। কোন রাত টি ছিলো প্রিয়, কোন রাত বিষাদের, কোন সকালে বেল্কুনিতে, কেশ এলিয়ে দাঁড়াতে। কোন বিকালে ফুলের সাথে কথা বলতে। সে কি অজানা মোর? কোন সে চন্দ্রগ্রহণ লাগলে পড়ে জোয়ারে তুমি ভাসতে। কোন আকাশ ছুয়ে দিলে, বাহুডোরে নিজেকে শপে দিতে। ***ভুলে যাবো ***
- Get link
- X
- Other Apps
বিনিময় 25.08.18 এ নদী আমার,আকাশ কে বিনিময় করে নদীর মালিক হয়েছি। এক সময় আকাশ ভালো লাগত, আকাশের রং পরিবর্তন খেলা দেখে আমি মুগ্ধ হতাম, আকাশের মালিক ছিলাম। এখন ভালো লাগে, তবে নির্লজ্জের মতো মাঝে মাঝে ছেড়ে দেওয়া অধিকারের দাবীতে মুখ তুলে চাই, আকাশ আমাকে ধিক্কার জানায়! নদীর প্রবাহমাণ স্রোতের নেশাতে মগ্ন হয়েছিলাম। এক সময় অরণ্য কে ভালোবেসে, নদীর সাথে বিনিময় করলাম। মাঘী পূর্ণিমার রাতে যখন, নদীর স্রোতে জ্যোৎস্নাময় চাঁদ সাতার কাটে। তখন নদীর জল ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয়। আমার ইচ্ছের নদী, আমাকে উপহাস করে। শীতের রুক্ষতা, অরণ্য বিনিময় পর্বতের মালিক হলাম। এখন হৃদয় জুড়ে পাষন্ডতা, নির্মমতা তবুও কোথা হতে যেন আকাশ, অরণ্য ও নদী উঁকি দেয়। চোখ তুলে নির্লজ্জের মতো চেয়ে থাকি। প্রেমিকা চলে যাবার পথে, প্রেমিক যেমন নিষ্পলক চেয়ে থাকে। এখন আমি পর্বতের মালিকানা ছাড়তে চাই, একটা পর্বত বিনিময় করবো। কেউ কি আছেন? পর্বতের বিনিময়, এক ঝাক জোনাকপোকা নিতে চাই । আমি এখন পর্বতের বিনিময়, জোনাক পোকা পেতে চাই। হয়তো, একদিন জোনাকের বিনিময়ে এক পেয়ালা বিশ কিংবা অমৃত চেয়ে নিবো।
- Get link
- X
- Other Apps
কবির অভিমান আকাশের বুক ফেরে বৃষ্টি ঝড়ে , পাহাড়ের বুক হতে ঝর্ণা । বেদনায় আহত মানুষ গুলো ক্ষতবিক্ষত , কেউ তার খবর রাখে না । কলমের কালিতে, ডায়েরীর পাতাতে আহত কবির কান্না কেউ শুনে না । কবি ও কবিতা মিলে মিশে একাকার ,তবুও কেন ক্ষত স্মৃতির ছিড়া পাতা । তুমি কাঁদো , সে কাঁদে , আমি ওকাঁদি ! যেনো কান্নার মেলা । কত শত প্রজাপতি পাখা মেলে , কত প্রজাপতি রঙ ছড়াই । এতো হাসি -এতো হাসি ,তবুও কান্নার তীব্র চিৎকার আহত কবি, নিকোটিনের সাদা ধোঁয়া ছেড়ে বলে- কবিতা আর লিখবো না ! কবি অভিমান করে বলে , কবি সত্যি করে বলে , কবি বিরহের সাথে বলে - লিখবো না আর কোন কবিতা , কবি চিৎকার করে বলে "কবিতা তোমায় বিদায়" । রাতের আধারে কবি অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে কাঁদে ,কবিতা বিহনে । বৃষ্টির জলে কবি অশ্রু ঝড়ায় অতি গোপনে , কবিতা বিহনে । ব্যস্ত শহরে কোটি মানুষের ভিড়ে কবি হাতড়ে ফিরে । নির্লজ্জ , বেহায়া কবি শুধু বিরহ স্মৃতির গান গেয়ে চলে । তবুও পদ পৃষ্ঠ হওয়া আহত বকুলের ভাঙা পাপড়ী বুকে টেনে - কবি যখন মালা গাথতে বসে , কি এক কমল শিশু সুলভ দৃষ্টিতে ভরে ওঠে কবির মন । যেন সদ্যভূমিষ্ঠ কোন এক শিশু ! তবু ও কবি মাঝে মাঝে চিৎকার করে ওঠে - ...