Posts

Showing posts from November, 2019

আমার আমাকে যদি জানতে চাও

Image
" আমি কেনো ভিন্ন!   তোমাদের চিরচেনা সমাজের কাছে?  " ঘটনা 'এক'  বকুল ফুলের মালা হাতে ১২ বছরে এক বালক ছুটছে।   মালা নিবেন, ভাইয়া মালা নেন একটা, আপু মালা নেন একটা।    পকেটে হাত দিয়ে দেখি আড্ডা শেষে দশ টাকা অবশিষ্ট। কিন্তু ফুলের মালা আমাকে নিতেই হবে।   কখনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয় না,  যে সকালে কর্মস্থানে ফিরতে এই টাকা আমার লাগবে।  ওই সময় ওই বালক টির হাসি আমাকে ভুলিয়ে দেয়, আমার আগামীদিনের চিন্তা। ওর চোখে দেখি বিশ্বাস!  ও বিশ্বাস করে  সৃষ্টি কর্তা ওই ফুলের মাঝে তার রিযিক লিখেছেন। আমি এই বিশ্বাসকে সম্মান করি, উপভোগ করি।  দশ টাকার যে কয়টা মালা হয় কিনে নিই।  চাইলে দশ টাকা ওকে এমনি দিয়ে দিতে পারতাম।  কিন্তু দেইনি!    কারন ও যেন ওর কর্মের সম্মানের মূল্য পাই। ওর বিশ্বাস যেন নষ্ট না হয়। যে ফুলের মালার মাঝে,  রিযিক দাতা ওর রিযিক রেখেছেন। তাকে দশ টাকা এমনিতে দিয়ে, তার বিশ্বাস ভঙ্গের কারন হতে চাইনি।  আমি ওর চোখে সৃষ্টিকর্তার প্রতি যে বিশ্বাস দেখেছি,  যে পূর্নতা দেখেছি। তাতে করে  আমার  আর এক জনমে ফুল বিক্রেতা হয়ে জম্ম নিতে ইচ্ছে  হয়।  ঘটনা' দুই'   আজ যখন আজমীর শরিফের ফিতা দেখলাম,( ...

কবিতা

Image
বিষাদের প্রার্থনা চলে তো যাচ্ছে, চলে যাক যে ভাবে গ্রীষ্ম আসে, তারপর ভীষণ উত্তাপে খরাতে জ্বালিয়ে! দগ্ধ করে ধরণী রানী কে - ফিরে যাবে সে। দুই চোখে জল নিয়ে নেমে আসবে বর্ষা, সে কি অশ্রুপাত! যেন প্রিয় হারা কান্না। ভালোবাসার প্রবল স্রোতে ভাসিয়ে, ভিজিয়ে দিয়ে সবুজ অরণ্য, সেও চলে যায়! মাথার উপর বিশাল শূন্যতা নিয়ে, নীল শাড়ী পড়ে মেঘের পরতে পরতে, কাশ ফুলে'র কমলতা নিয়ে আসে, মেঘ কন্যা আকাশ রাণী শরৎ । কাশ ফুলের কোমল কেশর বিছিয়ে - ধরিত্রী মাতা তাকে গ্রহণ করে। মেঘ রাণী সেও ফিরে যাবে, যেভাবে গ্রীষ্ম, বর্ষা সময়ের স্রোতে হারিয়েছে। হিম শীতল বাতাসে করুন সুর নিয়ে, কোথা থেকে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে- ছুটে আসে হেমন্ত, দিকে দিকে নবান্নের উৎসব, ডুগি তবলা আর ঢোল! চাঁদের জ্যোৎস্না আকাশের বুক ফেঁড়ে ছিটকে পরে মাটিতে! লাঠির বুকে লাঠির করঘাত,শিশির ভেজা দূর্বা ঘাস। উৎসুক চোখ চেয়ে আছে, খেলছে লাঠিয়াল। নিভু নিভু প্রদীপ শিখা, ধরে রাখার ক্ষমতা আমার নেই। তাই মুঠো খুলে চেয়ে আছি, কুয়াশার চাদরে ওই, এলো কে! ছমছম নীরবতা, শীতল বায়ু ছুটে আসে খেজুর রসের কলস কাঁধে করে। প্রকৃতি ঢেকে যায় কুয়াশার আড়ালে। তবুও স্বার্থহীন চাঁদ, আলো দিয়ে যায়,...

অভিনয়

  অরণ্য নাসিদ  ক্লান্তিতে নুয়ে পড়েছে বুড়ো বট বৃক্ষ, অথচ একদিন শত মানুষ কে ছায়া দিয়েছে,  একদিন বুক আগলে দাঁড়িয়ে ছিলো,  ঝড়ের তান্ডব উপেক্ষা করে।  আজ সে বৃদ্ধ,  ডাল গুলো শুকিয়ে গেছে।  নুয়ে পড়েছে, পাতা গুলো নিষ্প্রাণ তার।  পাখিরাও আসে না, এখন আর।  এক ঝাঁক সাদা বক রোজ নিয়ম করে,  রাত্রি যাপনে আসতো এই বৃক্ষ শাখায়।  আজ তারা খুজে নিয়েছে নতুন নিবাস।  মানুষ গুলো রোজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করে,  অথচ এক সময়,  শীতল ছায়াতলে কত ক্লান্ত শরীর এখানে নুয়ে পড়ত।  কেউ এখন খোজ রাখে না,  তার!  সামান্য বাতাসে ভেঙ্গে পরে,  কুড়ালের আঘাতে  ক্ষত হওয়া শাখা প্রশাখা।  এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে প্রবীণ বট বৃক্ষ।  সময়ের প্রয়োজনে, কত জন আপন হয়!  অসময়ে সে জন কুড়াল দিয়ে আঘাত করে।  আসলেই কেউ আপন নাই, শুধু সময়ের প্রয়োজনে  আপন হবার অভিনয় ।

কবিতা- মুক্তিযোদ্ধা

মুক্তিযোদ্ধা  বিষাদের বিষ যতই পান করাও, আমি মৃত্যুর পর পুনরায় ফিরে ফিরে আসবো, এ আমার অঙ্গীকার।  স্লোগান করো-  দেওয়ালে দেওয়ালে ছেপে দাও, নিষিদ্ধ আমি।  তোমার শহরে, আমার পদচারণ অবৈধ্য। মোড়ে মোড়ে, কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে নাও, সময় বড় কম, একবার শুধু একবার যদি  তোমার ওই বেষ্টনী ভেদ করি!  সময় এখন তোমার পক্ষে, জীবন এখন  তোমার জয় গান করে, তুমি এখন অপরাজেয়।  এখনি সময় - আমার পাড়া, আমার মহল্লা উচ্ছেদ করো।  বন্দুকের নল উঁচিয়ে, তাঁক করো আমার বুকে  টিগারে আঙ্গুল রেখে কি ভাবছো ?  শত্রু তোমার সম্মূখে, অস্ত্র তোমার হাতে।  মনে রেখো, শত্রু এবং অস্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখতে নেই।  সময় বহমান,  অস্ত্র হাত হতে হাতে পরিবর্তনশীল।  তুমি যদি আমার শত্রু হও,  আর তোমার হাতের অস্ত্র যদি, আমার হাতে থাকে।  শুধু আওয়াজ উঠবে, শুধু আওয়াজ।  শত্রু কে সামনে রেখে সময় নষ্ট করার মতো, বোকামী আর কি হতে পারে!  সময় আছে আমাকে ধ্বংস করো,  আমার দেশের প্রতিটি ঘরে, আমি লুকিয়ে আ...

কবি ও কবিতা

Image
কবি ও কবিতা  ০৫/১১/১৯ আমি একজন কবি,  কবিতার অঙ্গ জুড়ে - যে অলংকার দেখছো, তা আমার সৃষ্টি।  শব্দ কে জব্দ  করে,  পরশ পাথরে ছুঁয়ে  কবিতার অঙ্গে নতুন শব্দ স্থাপন, আমার স্বপ্ন।  তোমারা হয়তো, কবিতার প্রেমে বিভোর হ'ও  কবি'র প্রেমে পড়েছো কি?  তোমরা কবিতার হাসিতে হাসো,  কবি'র হাসি শুনেছো কি?  সে হাসি নিষ্পাপ, কিন্তু নিষিদ্ধ এই শহরে।  কবিতার বিরহে অশ্রু বিসর্জন করো,  কবি'র বিরহ ছুঁয়ে দেখেছো কি?  বিরহের গাঢ় নীল, কতটা জমাট বেঁধেছে!  কত স্বপ্ন ধ্বংসের পর, আবেগ গুলো  কালি হয়ে রক্ত বমি করেছে!  দেখনি,  যদি দেখতে!  তবে জানতে - কত বিরহ বৎসর পেড়িয়ে,  কত অনলে নিজেকে পুড়িয়ে,  এক একটি শব্দ রচিত হয়।  কত নিশি নিদ্রাবিহীন জেগে থেকে,  খোলা আকাশের নিচে বসে,  কত প্রেম বিলীন করে -  চাঁদের সাথে কবি'র সখ্যতা হয়। তোমরা যাকে ভাবছো- আমার কবিতার প্রতিটি শব্দে,  কখনো প্রেমে, কখনো অভিশাপে জর্জরিত,  যে প্রতিবিম্ব হয়ে নিজে...

এলোমেলো চিন্তা ও একটি আত্মার স্বপ্ন

Image
এক আত্মার কল্পনা  সূর্য অজানাতে ডুব দেওয়ার পর যেমন, প্রকৃতি রক্তিম মেঘে আলোকিত করতে চেয়ে ব্যার্থ হওয়ার পর, রাতের অন্ধকারের চাদরে ঢেকে যায়। তেমনি আমার চারিপাশ অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে।  পায়ের নিচ হতে ক্রমশ, যন্ত্রণা টা খুব ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠছে।  ঝাপসা হয়ে উঠচ্ছে আমার চারপাশ,  কান্না আর প্রার্থনা ভেসে আসছে। আতর  সুগন্ধি র তীব্র ঘ্রাণ, অথচ এক সময় এতো তীব্র সুগন্ধি ব্যবহার করে, আমার পাশে আসতো না।  শরীর টা খুব ব্যথা,  কেউ ছুঁয়ে দিলে চিৎকার করতে ইচ্ছে হচ্ছে।  বয়স হয়েছে  লোক লজ্জার ভয়ে চিৎকার করতে পাড়ছি না।     ভীষণ পিপাসা পেয়েছে,  কলিজা 'টা যেন শত শত বছর জলের সংস্পর্শে আসে নি।  সবাই ব্যস্ত!  আমাকে এক গ্লাস পানি দিয়ে সাহায্য করার মত কেউ এখানে নেই।  অথচ এরা'ই নাকি আমার আপন!    কি ভয়ংকর এক স্বপ্ন দেখলাম মাত্র,  চোখের সামনে থেকে কোন মতে দৃশ্য টা দূরে সরে যাচ্ছে না।   হঠাৎ বাড়িতে এতো মানুষের আনাগোনা, সবার মুখে আমার নাম।  এক টু অবাক হলাম, এরা কি পাগল হয়ে গেছে?  হা...

বে-খেয়ালি চিঠি

Image
১৮'ই আশ্বিন ১৪২৬ অ'প্রিয়,  মনের মাঝে গেঁথে থাকা ধুতরা ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করো।  গোলাপের শুভেচ্ছা প্রেরণ করে,  গোলাপের পবিত্রতা হরনের দায় ভার গ্রহণ করতে পারবো না বিধায়, সে শুভেচ্ছা হতে তুমি বঞ্চিত।  যদিও জানি অনেকে তোমার বায্যিক রূপের মোহে তোমাকে কত উপমা'তে সাজাতে চাই!  তারা যদি সত্যিকার তুমি কে জানতো, তবে হয়তো।   থাক সে সব কথা,  আজ কয়দিন হলো বৃষ্টি হচ্ছে।  অথচ শরৎ কালে এই ভাবে বৃষ্টি হবার কথা ছিলো না।  শরৎ ' র চোখের জলে নিজেকে ভিজিয়ে তোমাকে লিখতে বসা।  অভিযোগের ডায়েরি থেকে।  শরৎ'র আকাশ'টা এখন ঘন ঘন কাঁদতে বসে,  খুব যত্ন করে, সুর করে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে।  বায়না ধরে, না পাওয়ার যন্তনা নিয়ে, যেভাবে আমার ছোট্ট মেয়েটি কাঁদে দীর্ঘ সময় অব্ধি।     অথচ শরৎ আকাশের,  এই ভাবে কাঁদার কোন প্রশ্নই আসে না!  প্রকৃতি পরম মমতায় শরৎ কে উজাড় করে সৌন্দর্য দিয়েছে।   " দু-চালা কুঁড়ে ঘরের  ঘর দেখেছো কখনো" একবার আমাদের গ্রামের থেকে বেশ দূরে এক গ্রামে,  মায়ের নিকট বর্তী এক আত্...

কবিতা - বিলীন হতে'ই বেঁচে থাকা

Image
বিলীন হতে'ই বেঁচে থাকা  ০১/১১/১৯ আগুন ছুঁয়ে দিলে, হাত পোড়ে ; দগ্ধ হই!  ভুলে যাই সে ব্যথা।  ভুলে যাই, সাঁঝের বেলা  সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালতে হয় সে  কথা । মাঝ রাতে চন্দ্র কথা , কাকে গল্প বলি 'বল ? কে বা আর, মধ্যরাতে গল্প শুনতে চাইবে ? শূন্যে শব্দে ছুড়ে দিই ,  শূন্য থেকে প্রতিশব্দ শুনি , কান পেতে । শূন্যে চেয়ে থাকি, শূন্যে শূন্য দেখি!  দুধের সাগরে  ডুব দিয়ে , যে চাঁদ জ্যোৎস্না দিচ্ছে,   তার দিকে ফিরেও চাই না ,  এখন আর!  কেউ তো প্রশ্ন করবার  নেই, এখন বলতো কে সুন্দর? আমি না চাঁদ!  প্রতি উত্তর ছিল-  'চাঁদ' বড় অভিমানী ছিলি তুই!  কবিতা কিংবা কথাতে,  কখনো অন্য কারও প্রশংসা সহ্য হতো না তোর।  তা'আমি জানি!  অভিমানে কিছু সময় নিশ্চুপ থেকে , নিজেই বলতিস - আচ্ছা, চাঁদ কি আর আমার মতো হাঁসতে জানে?  আমার মতো -  তার কি সুন্দর দুইটা  চোখ আছে ?  নাকি সে ভালবাসতে জানে?  সে কি আর তোর অধরে অধর ছুঁয়ে '  শিহরণ ...

কবিতা - কুঁড়ে ঘর

Image
কুঁড়ে ঘর একটা ভাঙা কুঁড়ে ঘরের স্বপ্ন ছিলো, তাল পাতার ছাউনিতে ঢাকা ছিলো , রাতের আধারে মেঘের বুক চিরে, জ্যোত্স্না উঁকি দিবে কথা ছিলো। বর্ষার আকাশ কেঁদে কেঁদে আমাকে স্লান করাবে , এমন ও স্বপ্ন ছিলো । কথা ছিলো জোনাকির সাথে , কথা ছিলো রাত জাগা পাখির সাথে। কথা ছিলো হাসনাহেনা ও শিউলীর সাথে । কথা ছিলো কোটি কোটি তারার সাথে । কথা ছিলো আধারের সাথে , কথা ছিলো কুড়ে ঘরের স্বপ্ন দেখবো বলে । কথার গলে , বিষের মালা , আমি এক ছন্নছারা । সব কথা ছুড়ে ফেলে , নিজেকে নিজে করেছি বড় অবহেলা । আজ এই রাত সাক্ষী , আবার কোন এক শরত্ এ ঘুম হরণকারী- চাঁদের আলোতে কথা দিবো । সত্যিই আমি কথা দিবো , একটা ভাঙা কুঁড়ে ঘর, তোকে দলিল করে দিবো । তালপাতার সে ছাউনি , টিপ টিপ বৃষ্টির ফোঁটা , রাত জাগা কল্প কাহিনী । আঁধারের বুক চিরে , কদম-কেয়া, জুঁই বেলীর সৌরভ মাখা সেই রাত। আমার আজম্ম পাপ, বৃষ্টির ছন্দে তোর শীত্কার - ফুল হীন সে ঘর । অথচ বুনো ফুলের সৌরভ - তোর আর আমার ফুলশর্য্যার সে রাত। একটি মাত্র ভাঙা কুঁড়ে ঘরের দলিল তোর হাতে আমার হাত । ভালোবাসায় কেটে যাবে সহস্র রাত।               ...

কবিতা -এলোমেলো আমি

Image
এলোমেলো আমি     অরণ্য নাসিদ অভিমান ও অভিযোগ ভালোবাসা ও ছলনা। আমার দুই চোখ, দেখে ভিন্ন ভিন্ন। আমার দুই হাত এক হাতে স্বর্গ, অন্য হাতে নরক। কখনো ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়, কখনো দূরে হারিয়ে যেতে। কখনো তোমাকে দেখি - কখনো তোমার ছলনাকে। কখনো ক্ষোভে অভিমানে হই হিংস্র, কখনো তোমার আঁচলে মুখ লুকিয়ে ছোট্ট শিশু। কখনো কখনো ইশ্বর মনে হয় নিজেকে- সকল বাধাকে উপেক্ষা করে, সব নিয়ম কানুন- পদতলে রেখে হাসতে ইচ্ছে হয় বিজয়ের হাসি। কখনো কখনো নিজেকে বড় অপরাধী ভাবতে ইচ্ছে হয়। মনে হয় জগৎ জুড়ে যতো পাপ, সব কারনে মিশে আছি আমি! আমি যেন অলিখিত ইবলিশ শয়তান। নিজেকে নিয়ে ভাবতে বড্ড ভালো লাগে এখন - নিজেকে অবতার ভেবে! জনসস্মুখে মুচকি হেসে আসি ইচ্ছে হলে। দিন ও রাত সকাল ও সন্ধ্যা পৃথিবীর কক্ষ পথে পা রেখে চলে আমার অসঙ্গত ইচ্ছে ধারা। আমার মস্তিক জুড়ে এলোমেলো চিন্তাধারা আমি বোধ করি পাগল হয়ে যাচ্ছি। ছবি- গুগল