Posts

জলে ভিজে যাও,  রৌদে পুড়ে যাও                            কান্না পেলে;কান্না করো।                   সামান্য সুখে অট্টহাসি।                প্রেম আসবে, প্রেম যাবে।             নিজেকে যতন করে রাখো।                   বিরহ কিংবা বেদনাতে।                      ক্ষয়ে যেতে দিও না।                            মিথ্যা কামনাতে।  ঈশ্বর তোমাকে উজাড় করে দিবেন                                  তার আছে;                                         অসীম।  ঈশ্বরের সাথে, লেনাদেনা করো না।                              তুমি হেরে যাবে।               দুই হাত পেতে ভিক্ষা চাও ;                           তুমি শুধুই  পাবে।  শুদ্ধ চিত্তে  করুন কন্ঠে আঁখি জলে  চাও, আর চেয়ে যাও।  তুমি পাবে, পবিত্র দেহ ও মনে            যদি তুমি চায়তে জানো।  তবেই তুমি মানুষ বলে গণ্য হবে।   ( মানুষ ) ১৬/০৬/২০
মেঘনা পাড়ের কন্যা মেঘনা পাড়ে দেখেছিলাম কন্যা তোমায় , ভরা চাঁদের মাঘী পূর্নিমার প্রথম সে প্রহরে । যেখানে এসে "হাড়িদোয়া" শাখা পরম ভালোবাসায় জড়িয়েছে মেঘনাকে । আমি চেয়ে দেখছিলাম তোমার সরু কায়া ।  যেন মেঘনার ঢেউ কূলে  আছড়ে পড়ে । মন হনন করা চলন তোমার, "হাড়িদোয়া" এর ন্যায় বেঁকে চলে কোমড় তোমার । বড় শখ জেগেছিল মেঘনার পাগল বায়ু হয়ে ছুয়ে দিতে । রেশমী চুলে এলোমেলো খেলা করতে । নদীর জলে পরা চাঁদের প্রতিবিম্ব কে বড় ই বেরসিক মনে হয়েছিল । সে যে র্নিলজ্জ এর ন্যায় তোমার চলার পথে আমার চেয়ে থাকা লোভনীয় দৃষ্টি ,জনসম্মূখে আবরনহীণ করে দিতে অতি ব্যাস্ত ছিল । কত সময় ঐ পথ চেয়েছিলাম মনে নাই, হঠাত্‍ এক কম্পিত ঠান্ডা বায়ু আমার অস্তিত্ব জানান দিয়ে গেলো । দৃষ্টির অগোচড়ে তুমি তখন মনের মাঝে স্বপ্ন আঁকা অচেনা নারী ।
কৃষ্ণ পক্ষ  বিলাস              ( ১৩/২/২০২০ )          কেউ জ্যোৎস্না বিলাসে মুগ্ধ,          কেউ বৃষ্টি বিলাসে আপ্লুত,           কেউ কেউ তো সুখের তরী    ভাসিয়ে দিয়েছে অসীম সাগরের বুকে৷      আমাকে           বরং একটা অমাবস্যা দাও, আর                 কিছু দুঃখ কুড়িয়ে দাও                এক পাহাড় কষ্টের সাথে                     প্রিয় হারা বেদনা'র                    স্মৃতি এনে দাও।        আমি নিশ্চয়          আর একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছুয়ে দেখতে                          চাই'বো না।           আর কোন চুলের গন্ধ ব্যাকুল হৃদয়ে           আবেগের স্রোত অন্য সাগরে প্রবাহিত                     হতে,  চাই'বে না।            শ্রবণ ইন্দ্রিয়, সে আবেগ সে শব্দ            দ্বিতীয়ত আর কোন আবেগময়            গল্প শুনতে বড়'ই বেশি আপত্তি                         জানিয়েছে।                   জ্যোৎস্না বিলাস, বৃষ্টি বিলাস             সমুদ্র বিলাস করো, সুখের নদীতে                        ডুব দাও, যত খুশি।                  এক পৃথিবী সম দুঃখ এনে দাও            বিরহ - বেদনা, কষ্ট ও কান্না             সমগ্র প্রেমিক...
আর এক স্বাধীনতা আমার হাতে হাতকড়া পরিয়ে দে, পায়ে বেঁধে দে বেড়ি - মুখে ঠুসি বেঁধে আঁখি বেধে দে কালো কাপড়ে । আর কত পোড়া লাশের ঘ্রান নিবো- কুকুরের মত । ক্রসফায়ার কিংবা পেট্রোল বোমার আঘাতে ,দগ্ধ মানবতা কে -  আর কত আহাকার করতে দেখবো । ফাঁসির কাষ্টে আমাকে ঝুলিয়ে দে ! আর কোন আহত মানবের কন্দন আমি সহতে পারি না । পত্রিকার পাতাতে রর্ক্তাত লাশ এখন বড় সাভ্বাবিক হয়ে গেছে , লাশ হীন পত্রিকার খবর বড় অসাভ্বাবিক লাগে । সদ্য ভূমিষ্ট শিশুটি , চিত্‍কার করে কাঁদতে যেয়ে থমকে যায় । না জানি কোন গুপ্তচর ওত পেতে বসে আছে - যদি ওর কান্নার আওয়াজ তার কাছে বেসুরে হয় , হয়তো ক্রসফায়ার কিংবা বোমার আঘাতে শুরুতেই শেষ হতে হয় । এই ধ্বংস খেলা আমার যে আর সহে না , জরুরী আইনে 144 ধারা জারি করে আমাকে ক্রসফায়ারে দে । অথবা 302 ধারা জারি করে , নৈরাজ্য অবমাননার কারনে আমাকে আমৃত্যু ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে দে । তা না হলে , বুকে গ্রেনেড বেঁধে  আমিই ঝাপিয়ে পরবো কোন এক -অপ্রস্তূত সভা কিংবা মিটিং ।  অতপর আমার রক্তে লিখে দিয়ে যাবো , আর এক স্বাধীনতা ।
তবুও ভালোবাসি যে দিন তোমার উজ্জল চামড়া , কুচকে যাবে , ভাজ পরে যাবে কপালে সেই দিন , স্বপ্ন হারা এক দুঃখ বিলাসীর কথা মনে হবে তোমার । মনের অজান্তে কেঁদে উঠবে তুমি- ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু বির্সজন দিবে তোমার নয়ন । কাঁপা কাঁপা কন্ঠে হয়তো সেইদিন বলবে তুমি "সত্যিই আমি ভুল করেছি" সেইদিনের সেই র্দূসময় কেও তোমার পাশে থাকবে না । হাত ধরে বলবে না "এই চলো হারিয়ে যায়" তবুও তুমি হাত বাড়িয়ে দিবে । ছানি পরা দু-চোখে ঝাপসা আলোতে এই আমাকে খুজবে । হয়তো- সেই দিন এই আমি বিকালের নুয়ে পরা সূর্যের ন্যায় হেলে যাবো । তবুও তোমার ঐ হাত দুটি ধরে- বলবো সে সময় ভালোবাসি ভালোবাসি ।
উম্মাদ আমিও গঢ়তে জানি , ভাঙতে জানি। দাঁত দিয়ে কেটে শিকল, আমি ও মারতে জানি । যে দিন আমি উম্মাদ হয়ে যাবো -  মনে রেখো , সেই দিন তোমার রাজতন্ত্র থরথরিয়ে কাঁপতে থাকবে। প্রকট শীতে শত বছরের বুড়ী , যেমন থরথরিয়ে কাঁপে । প্রচন্ড ভূমিকম্পে যেমন করে- অট্টলিকা ধসে পরে , তেমন করে তুমিও । আর কত ? এইভাবে আঘাত করবে মোরে । আমিও তো রক্তে মাংসে গঢ়া মানুষ। আমার ও ভিতরে রাগ আছে , আছে অভিমান । আমি সাধারন , অতি সাধারন । তাই বলে কী ? আমার বাহু বল নেই ভাবছো । আমি ও জ্বলতে জানি , হিংস্রার অনলে জ্বালাতে জানি । যে খেলা আজ তোমরা সূচনা করেছো আমি তার ইতি টানবোই। আমি জনগন ,  সাধারন জনগণ যে দিন আমি ও আমরা উম্মাদ হয়ে যাবো । মনে রেখো  জীবিত তোমায় , জলন্ত চিতায় দহন করবো । এখন ও সময় আছে , আমার গনতন্ত্র আমাকে ফিরিয়ে দাও । বন্ধ করো তোমাদের এই পারিবারিক নৈরাজ্য - তা না হলে , সত্যিই আমি উম্মাদ হয়ে যাবো ।
অস্পর্শীত ব্যথ্যা থেকে থেকে বুকের বাম দিকটাতে টনটন করে ওঠে । কষ্টের কীট কুরেকুরে খাই ক্ষতবিক্ষত কলিজাকে- আমার হৃৎপিন্ড থেমে যেতে চাই ক্ষনেক্ষনে । বুকের ঠিক বাম দিকটাতে , হাত ঢুকিয়ে খুজতে থাকি ,                      কিন্তু কি খুজে চলি ? আমার হাত যেয়ে মুঠো দিয়ে ছিড়ে আনে কলিজা! না এখানে নেই ! আমার কিডনি , আমার হৃৎপিন্ড          নিকোটিন ভর্তি আমার ফুসফুসে ! কোথাও কিছু নেই ! তবে এত ব্যথ্যা কিসের ? ক্ষনে ক্ষনে চাওয়া পাওয়ার হিসাব কষে কে ? কে চিৎকার করে কেঁদে উঠে ? কে সে ? না পাওয়ার  ব্যথ্যায় ব্যাথ্যীত হয়ে , বলে ওঠে আমি তো কিছুই পেলাম না। আমার শরীরের রক্তে আমি প্রভাত স্লান কর- জিজ্ঞাসু নয়ন চেয়ে থাকি , কোথায় ব্যথ্যা ?  ঠিক কোন দিকটাতে এত যন্ত্রনা ! মাঝে মাঝে চিৎকার দিতে মনে চাই , মনে চাই  ধ্বংসের লীলায় মাততে ! আমি তো ধ্বংস করতে পারি না - না পারি সৃষ্টির উল্লাসে প্রলয় নৃত্য করতে ! উহ কি ভীষম যন্ত্রনা বুকে  , মানুষের এই শহরে আমি একটি মানুষ খুজে চলি ! নেই কোথাও নেই একটা মানুষ, মানুষের বড় অভাব এই ভবের শহরে। আমি একটু ছায়া চাই , একটু আশ্রয় ! আমি আমার ব্যথ্যাকে স্পর্শ করতে চাই ,  দুই হাতে আদর করে , আ...
আর্দশ নগরী আগুন জ্বালাও,দাসত্বের দোওয়ারে- যেখানে অত্যাচারীরা নির্ভয়ে চলে । আগুন জ্বালাও,রাজতন্ত্রের চেয়ারে- যেখানে গণতন্ত্র আহা হাকার করে । আগুন জ্বালাও,সৈরাচারীর শরীরে- পোষা কুকুর দিয়ে যেখানে মানুষের রক্তে হলি খেলে । আগুন জ্বালাও তুমি , ঐ বেশ ধারী সত্বীর দেহে । যে রাজ পথে হিজাবের নামে বক্ষ প্রর্দশন করে । জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও সব । আগুন জ্বলতে দাও রাজপথে । এখানে ধর্ষিতার আর্ত চিত্‍কারে সকলে -অট্ট হাসি হাসে । বেশ্যার শীত্‍কারে পাগল পারা হয়ে ছুটে চলে । এখানে চোখের জল ধূলিকনাতে হারিয়ে যাবে । কুয়াশা চারিপাশ মানুষ নামে অমানুষের বসবাস । আগুন জ্বালাও, বন্ধু তুমি । শ্মসান করে দাও এই অমানুষের বসত ভূমি । তবেই যদি শুদ্ধ হয় , গঢ়ে ওঠে আবার নতুন করে এক আর্দশ নগরী ।
কাবার অপমান করে যারা তাদের রক্তে এই ভূমি হোক লাল ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করো , হৃদয়ে আমার আগুন জ্বলে । ফাঁসির রশি প্রস্তুত করো , আমার হাতে অস্ত্র আছে । কোথায় হে মহামান্য বিচারপতি ? অডার অডার বলুন । বলুন হে মহামান্য বিচারপতি , বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনে ৩০২ ধারা মোতাবেক অরণ্যের ফাঁসি। লাথি মারি তোর সংবিধানে , লাথি মারি তোর আইনে । লাথি মারি ঐ সংসদে , লাথি মারি তোর গণভবনে । আগুন জ্বালাবো ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এ । আগুন জ্বালাবো ৫১,০১,০০,৫০০বর্গ কিলোমিটারে । আমার চোখে এখন চৈত্রের কাঠ ফাটা রৌদ । জ্বালিয়ে দিবো পুড়িয়ে দিবো সব - মৃত্যুর উল্লাসে হাসবো আমি হাঁ হাঁ । আমার চোখে স্বপ্ন নেই , আমার নেই মৃত্যুর ভয় । দালালের ঘরে আগুন জ্বালবো এই তো আমার অভিলাষ । আমার কাবারে অপমান করে যে জন , তার রক্তে স্লান করবো না যত ক্ষন। আগুন জ্বলবে ততক্ষন , এই হৃদয়ে । শুয়োরের দল সব , বলে কি না মন্দির ভেঙেছে মুসলমান ? ওরে ও জম্ম পরিচয়হীন জারজের দল - বলিস না কেনো তোর অবৈধ্য জম্মের পিতা , অপমান করেছে কাবা ঘর । মিডিয়া আছে যত সব যেন হিন্দুর ঔরসে জম্ম পরিচয় হীন এক একটি জারজ। মহামান্য বিচারপতি ক্ষমা করুন , এই মূহুর্তে আমি মানুষ নেই...
( __গান__ ) ভালো থাকার দাবি,প্রতিদিন আসে । ও___ ভালো থাকার দাবি,প্রতিদিন আসে । তোর মত করে কেও বলে না তো । ও__ তোর মত করে কেও বলে না তো। কেমন আছো তুমি , ভালো আছতো , তুমি আছতো । ভালো থাকার দাবি প্রতিদিন আসে  ও__ ভালো থাকার দাবি প্রতিদিন আসে তোর মত করে কেও বলেনা তো , ও__ তোর মত করে কেও বলেনা তো । ভালো আছতো , ভালো আছতো । সারাটা দিন কেমন ছিলে তুমি , সারাটা দিন । ভালো আছতো তুমি , ভালো আছোতো । মনের কথা জানতে চাই সকলে . তোর মত করে কেও বলে না তো । তোর মত করে কেও বলেনা তো । চোখের কোনে কেনো জল ঝরেছিল , তোমার চোখের কোনে কেনো জল ঝরেছিল । ভালো আছোতো তুমি ভালো আছোতো । হৃদয় ছুয়ে কেও দেখে না ওরে তোর মত করে । ভালো থাকার দাবি সকলে করে । কি করে বলি বল তুই আমারে ভালো কি থাকা ওরে তোরে ছেরে । (#কাজী_জামান ভাইয়া সুরের অপেক্ষাতে )
(__গান__) বন্ধু ওগো বন্ধু , বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম তোমারে রঙিন খামে । দেখো খুলে যদি মনে বলে ।  বন্ধু__ তুমি আছো কেমন , সুখে আছো না দুঃখে জানিও উত্তর লিখে । আমি আছি এখন একাকী প্রহরে । নিঃসঙ্গ রাত্রি সঙ্গ দেয় যে মোরে । ঝরা ফুলের পাপড়ী , মনে করিয়ে দেয় তোমারে । ওগো বন্ধু তুমি কেমন আছো  সুখে না দুঃখে । ফিরে তুমি আসবে না জানি সে কথা । তবুও যে প্রতিক্ষায় কাটায় প্রহর আমি একা । বন্ধু ওগো বন্ধু, বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম রঙিন খামে । বিষন্নতায় লেখা আমার এই চিঠি ছুরে ফেলোনা  তুমি নদীর জলে । ওগো বন্ধু __ দিও না ফেলে । চোখের লোনা জল আছে মেশানো এই শেষ চিঠিতে । বন্ধু ওগো বন্ধু , বন্ধু ওগো বন্ধু পত্র দিলাম রঙিন খামে । (#কাজী_জামান ভাইয়া সুরের অপেক্ষাতে )
ফিরে যেতে আসা  ০৩/১১/১৫ আমাকে আর কি ধ্বংস করবে তুমি?   মহাকালের ডাকে সে কবে নিজেকে বিসর্জন করেছি।  আমাকে আর কিসের দহণে ভস্ম করবে?  আমি তো সেই কবে প্রেমের চিতা জেলে,  সে অনলে ভস্ম  হয়েছি ।   আমার নয়ন জলে পদ্মার বুকে কাঁপন ওঠে  যমুনার অশান্ত ঢেউয়ের আঘাত   চপঘাত সৃষ্টি করে, কাঁদবে?    কি করে ?  মরুর বুকে প্রবাহমান সাইমুন লন্ডভন্ড করে ; এই বুকে এসে প্রশান্তির ছায়াতলে নতজানু হয়। কিসের ভয় দেখাবে তুমি ? হারাতে হারাতে কবে নিজেকে, হারিয়ে ফেলেছি -  এখন কোন কিছু হারানোর ভয়ে   বীভৎস স্বপ্ন দেখে,  জেগে উঠি না ।  এমন কি প্রিয় হারানোর ভয়   আমাকে ঘিরে ধরে না ।  আমি জানি - যে কাছে আসে , সে ফিরে যেতেই আসে ।
লিখবো না ভেবেই লিখেছি শরৎ এর আকাশের নীলাভ রূপ দেখে আর লিখবো না কবিতা, কোকিল তুমি সুরে সুরে যত ইচ্ছে আমাকে মুগ্ধ করো না কেনো ?               আমি লিখবো আর কোন কবিতা । শীতে কুয়াশার চাদরে ঢেকে যাক , আমার সকাল দুপুর রাত সত্যি বলছি কবিতা ভাববো না তোমাকে আর ,লিখবো না তোমাকে। ক্লান্ত শরীরে বিছানাতে তন্দ্রার ঘোরে ডাকবো না আর তোমাকে । চাঁদের মায়া বিছিয়ে দিলে , দুই চোখ বন্ধ করে নিবো  ভুলে যাবো নিজের আপন সত্ত্বা কে , দেখবো না আর তোমাকে । বর্ষার বারি যখন ছুঁয়ে যাবে আমাকে , নিজেকে শুষে নিবো প্রেম অনলে। গ্রীষ্মের কাঠফাটা রৌদ্দুরে জ্বালিয়ে নিবো নিজেকে , আমাকে জ্বালাবে , তুমি ! কোন অনলে ? যে নিজের মাঝে লালন করে সপ্ত নরক কে । আমি লিখবো না ভেবেই লিখছি তবুও কেনো জানি তোমাকে , ঘৃণা করবো জেনেই , ভালোবেসে ফেলি গভীর ভাবে । তবুও লিখবো না , লিখবো না আর লিখবো না কবিতা তোমাকে । তবুও লিখেই চলেছি অনায়াসে ।
কাঁদবি কতো?  কাঁদ হে রাষ্ট্র।  ছি রাষ্ট্র ছি! কিসের এতো মায়া কান্না?  ছি রাষ্ট্র ছি!  দুধ কলা দিয়ে  পুষতেছিস সর্প বড় যত্ন করে।  ছি রাষ্ট্র ছি!  জবাব দিবি তুই কী?  পিতা তার গেছে বাহিরে,  প্রতিক্ষায় আছে, অবুঝ শিশু  বাড়ি ফিরে বুকে টেনে নিবে পিতা।  প্রতিক্ষায় আছে বধূ  প্রতিক্ষায় আছে বাবা মা।  সন্তান যে গেছে,  কেন ঘরে ফিরে আসে না।  ছি রাষ্ট্র ছি! পুলিশ পুষে, বেতন দিতে পারিস না চেয়ে দেখ হে রাষ্ট্র  এক শিশুর পিতাহারা কান্না।  চেয়ে দেখ রাষ্ট্র, দুধ কলা দিয়ে পুষেছিলি যারে  সে মানুষ রূপে, শয়তান ছাড়া আর কেউ না।  অবৈধ্য টাকা ছাড়া, তাদের পেট ভরে না।  অথচ,  এই তোর শিক্ষিত আর্দশ সন্তান  গর্বে নাকি তোর জীবন বাঁচে না।  ছি রাষ্ট্র ছি, ছি রাষ্ট্র ছি  ধিক্কার তোমায় হে রাষ্ট্র।  তোমার কোল আজ প্রদীপ, আকবরের ; ন্যায় জারজে ভরা।
ক্রোধ  ০৮/১০/২০ হে প্রিয় রাষ্ট্র, অজস্র সেচ্ছাদাসী আছে।   যে বা যাহারা ক্ষমতার লোভে,  দেহ ত্যাগে আনন্দ উপভোগ করে।   সেসব রক্ষিতা থাকতে, কেন?  অসহায় নারীর ওপর ঝাঁপিয়ে পরচ্ছে।   তোমার দাঁতাল শুয়োর গুলো।   কেনো বস্ত্রহীন করছে মা বোন কে?  হে রাষ্ট্র, তুমি শুয়োর পালন করো।   অথচ কচু খেত রাখো না?   আমি বিশ্বাস করি না।   আমি দল জানি না, জাতি জানি না  আমি জানি ধর্ষক এক কলঙ্কের নাম।  আমি জানি, ধর্ষকের আশ্রয় দাতারা  এক অভিশাপের নাম।  প্রিয় রাষ্ট্র, আমি ফেলিনিকে ভুলেছি  তিস্তার জল পাবো পাবো করেও হারিয়েছি।  তবুও নিশ্চুপ ছিলাম, শত্রুর দোসর  মাথার ওপর বসে আছে জানি।  প্রিয় রাষ্ট্র,  তুমি তনু কে দেখেছিলে?  আ'হা বীভৎস সে লাশ।  আমি তো তোমার পতাকায় দেখি ধর্ষিতার রক্ত।  প্রিয় রাষ্ট্র, আমরা বিশ্ব্জিৎ কে ভুলে গেছি।  আবরার কে ভুলে গেছি।             কোন, আবরার যেনো?  ওই যে?  ভারতের গোলামীর বিরুদ্ধে  নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখার লড়াইয়ে                                      প্রথম শহীদ।  পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিলো!  যারা হত্যা করেছিলো,  তারা আর কেউ না  এই দেশের বুকে বেড়ে ওঠা ভারতের জারজ সন্তান।  প্রিয় রাষ...
আচ্ছা! সে গায়ে কী? এখনো ভালোবাসা পাওয়া যায়? দু-হাত ভরে, কাচাসোনা আমন গোলায় ওঠে? মেঠোপথে ধূলি উড়িয়ে গরু/ মহিষ যায় ?                                          আগের মতো।  মধ্যাহ্নে, দিঘি জলে পল্লীবালকেরা সাঁতার কাটে?   কিছু যদি লিখার না'ই থাকে।  তবে লিখো বুনো হলুদের ফুল ফোটা,কিংবা?  বর্ষা শেষে'ও কদমের নতুন করে ফুটে ওঠা।  বিন্দু মাত্র বিরক্ত হবোনা, শরতের শেষ রাতে শিশির ভেজা শিউলি ঝরার শব্দ যদি লেখো। টুপ টপ, টুপ টপ,সে শব্দ।  ডাহুক ডাকে?  আগের সে সুকরুণ সুরে, জোনাক আর পেঁচার গল্প লিখো।  কিছু লিখো, হোক সেটা কলমের আঁকিবুঁকি।  সাজিয়ে লিখো কিংবা এলোমেলো            যেমন ইচ্ছে হয়, লিখো যদি ইচ্ছে না হয়, তবুও লিখো            ইচ্ছে তোমার হচ্ছে না।  তবুও হলুদ খামে ভরে  এক টুকরো কাগজ পাঠিও।  আ'হা কতোদিন ডাক পিয়নের, ডাক শুনি না।  হলুদ খাম ছিরে, হৃদয়ের অনুভূতি পড়ি না।  """চিঠি ""
কাল চক্রের, চক্রে পড়ে ফের যদি দেখা হয়ে যাই দু'জনে!                            দু'চোখ ফিরিয়ে নিবো।  চেয়ে দেখবো না, ডাগর ও দুই আঁখিপাতে  কোন মেঘে ভিজে যা-ও, তুমি।  কোন মেঘে থাকো উদাস এখন৷  কোন বসন্তে ভীষণ তৃষ্ণার্ত থাকো তুমি?  কোন আকাশে থাকো চেয়ে!  প্রশ্ন করবো না, আর আমি।  কোন জলে হাসতে তুমি, কোন বাতাসে ভাসতে।  কোন ভোরে কাঁদতে তুমি, ডাহুকের দুঃখে।  কোন রাত টি ছিলো প্রিয়, কোন রাত বিষাদের,  কোন সকালে বেল্কুনিতে, কেশ এলিয়ে দাঁড়াতে।  কোন বিকালে ফুলের সাথে কথা বলতে। সে কি অজানা মোর?  কোন সে চন্দ্রগ্রহণ লাগলে পড়ে  জোয়ারে তুমি ভাসতে।  কোন আকাশ ছুয়ে দিলে,  বাহুডোরে নিজেকে শপে দিতে। ***ভুলে যাবো ***
বিনিময় 25.08.18 এ নদী আমার,আকাশ কে বিনিময় করে নদীর মালিক হয়েছি। এক সময় আকাশ ভালো লাগত,  আকাশের রং পরিবর্তন খেলা দেখে  আমি মুগ্ধ হতাম, আকাশের মালিক ছিলাম। এখন ভালো লাগে, তবে নির্লজ্জের মতো মাঝে মাঝে ছেড়ে দেওয়া অধিকারের দাবীতে মুখ তুলে চাই, আকাশ আমাকে ধিক্কার জানায়!  নদীর প্রবাহমাণ স্রোতের নেশাতে মগ্ন হয়েছিলাম। এক সময় অরণ্য কে ভালোবেসে,  নদীর সাথে বিনিময় করলাম। মাঘী পূর্ণিমার রাতে যখন,  নদীর স্রোতে জ্যোৎস্নাময় চাঁদ সাতার কাটে। তখন নদীর জল ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে হয়। আমার ইচ্ছের নদী, আমাকে উপহাস করে। শীতের রুক্ষতা,  অরণ্য বিনিময় পর্বতের মালিক হলাম। এখন হৃদয় জুড়ে পাষন্ডতা, নির্মমতা  তবুও  কোথা হতে যেন আকাশ, অরণ্য ও নদী উঁকি দেয়। চোখ তুলে নির্লজ্জের মতো চেয়ে থাকি। প্রেমিকা চলে যাবার পথে,  প্রেমিক যেমন নিষ্পলক চেয়ে থাকে। এখন আমি পর্বতের মালিকানা ছাড়তে চাই, একটা পর্বত বিনিময় করবো।  কেউ কি আছেন? পর্বতের বিনিময়,  এক ঝাক জোনাকপোকা নিতে চাই । আমি এখন পর্বতের বিনিময়,  জোনাক পোকা পেতে চাই। হয়তো, একদিন জোনাকের বিনিময়ে এক পেয়ালা বিশ কিংবা অমৃত চেয়ে নিবো।
কবির অভিমান আকাশের বুক ফেরে বৃষ্টি ঝড়ে , পাহাড়ের বুক হতে ঝর্ণা । বেদনায় আহত মানুষ গুলো ক্ষতবিক্ষত , কেউ তার খবর রাখে না । কলমের কালিতে, ডায়েরীর পাতাতে আহত কবির কান্না কেউ শুনে না । কবি ও কবিতা মিলে মিশে একাকার ,তবুও কেন ক্ষত স্মৃতির ছিড়া পাতা । তুমি কাঁদো , সে কাঁদে , আমি ওকাঁদি ! যেনো কান্নার মেলা । কত শত প্রজাপতি পাখা মেলে , কত প্রজাপতি রঙ ছড়াই । এতো হাসি -এতো হাসি ,তবুও কান্নার তীব্র চিৎকার আহত কবি, নিকোটিনের সাদা ধোঁয়া ছেড়ে বলে- কবিতা আর লিখবো না ! কবি অভিমান করে বলে , কবি সত্যি করে বলে , কবি বিরহের সাথে বলে - লিখবো না আর কোন কবিতা , কবি চিৎকার করে বলে "কবিতা তোমায় বিদায়" । রাতের আধারে কবি অন্ধকারে মুখ লুকিয়ে কাঁদে ,কবিতা বিহনে । বৃষ্টির জলে কবি অশ্রু ঝড়ায় অতি গোপনে , কবিতা বিহনে । ব্যস্ত শহরে কোটি মানুষের ভিড়ে কবি হাতড়ে ফিরে । নির্লজ্জ , বেহায়া কবি শুধু বিরহ স্মৃতির গান গেয়ে চলে । তবুও পদ পৃষ্ঠ হওয়া আহত বকুলের ভাঙা পাপড়ী বুকে টেনে - কবি যখন মালা গাথতে বসে , কি এক কমল শিশু সুলভ দৃষ্টিতে ভরে ওঠে কবির মন । যেন সদ্যভূমিষ্ঠ কোন এক শিশু ! তবু ও কবি মাঝে মাঝে চিৎকার করে ওঠে - ...
***এক কোটি বছর পর*** তোমার স্বপ্নহীন দু-নয়নে ,  একদিন স্বপ্নরা বাঁধবে বাসা।  গোলাপ রাঙা অধরে, প্রজাপতি  আসবে ছুটে।  একদিন তোমাকে ভালোবেসে , কোন এক কবি- রাত জেগে ডায়েরীর বুকজুড়ে, তোমাকে সাজিয়ে রাখবে। জ্যোৎস্নায় স্লান করে ,একদিন তুমি  ভবঘুরে কোন এক যুবকের, বুক পকেটে  সুখময় অতীত হবে ।  কোন একজন, সহস্র বছর চেয়ে থাকবে    তোমার চিবুক বেয়ে ঝড়ে পরা  ঘামের দিকে ! কোন একজন যুবক তখন ও জানালার কপাট খুলে রাখবে । বাতাসে শুভাস নিতে , তোমার এলো চুলের ।  গৌধূলী বেলাতে কোন একজন , ব্যথা ভরা বুকে, তোমার কথা ভেবে গুণগুণিয়ে গান করবে । গভীর সে রাতে ,কোন এক যুবক  স্বপ্নরাজ্যে হানা দিবে - স্বপ্নকন্যাকে ছিনিয়ে আনতে । আজ থেকে এক কোটি বছর পর ! তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখবে কোন এক কবি । তখন ও তুমি ষোড়শী কন্যা ,  প্রেমময় দেবী ..