সাহিত্য চর্চা , কবিতা , কবিদের জীবন ইতিহাস , গল্প , ছোট গল্প , ভ্রমন কাহিনী ,
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
গত জম্মে তুমি আমার প্রিয় ছিলে,
এই জম্মে সে টান রয়ে গেছে।
Get link
Facebook
X
Pinterest
Email
Other Apps
Comments
Popular posts from this blog
তুমি যাকে ভালোবাসছো , শ্রদ্ধা করছো , যার উন্নতির জন্য দিনরাত দোয়া করছো ......... একটু খোঁজ নিয়ে দেখবা - সে তোমাকে ন্যূনতম মূল্যায়ণটুকুও করে কিনা ! একটু চোখ বন্ধ করে নিজের আত্মাকে বিড়বিড়িয়ে জিজ্ঞেস করবা - সে তোমাকে তোমার মতো করে আদৌ কখনো ভালোবেসেছে কিনা ! জীবনে অনেক মানুষই তোমার কাছে সাহায্য চাইবে , এমন কাওকে সাহায্য করবা না যার জন্য তোমাকে পরবর্তীতে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হয় ! আড়ালে চোখের পানি ঢাকতে হয় ! জীবনে রক্তের সম্পর্ক ব্যতীত কারো জন্যই অত্যাধিক আবেগ তাড়িত হবা না ...... , বি শেষ কাওকে বাঁচানোর জন্য আগুনে লাফ দিয়ে হঠাৎ তুমি খেয়াল করবা - যার জন্য লাফ দিলা সে নিজেই লাফ দেয়নি ...... মুচকি হাসছে ! মধ্য দিয়ে তুমি ই ঝলসে যাচ্ছো l তোমাকে অঙ্গারিত করে বিচক্ষণ মানুষটা করে নিয়েছে নিজ স্বার্থ উদ্ধার ! কিছু কিছু সেনসেটিভ কথা , তোমার মনের দূর্বল স্হান , তোমার কনফিডেন্সের লেভেল ভুলেও কারো সাথে সহজে শেয়ার করবা না l তোমার হৃদয় এফোড় ওফোড় হয়ে যাবে যখন তুমি হা করে দেখবা - তোমার দেয়া তথ্যগুলোই বুমেরাং হয়ে তোমাকে ঘায়েল করছে l কারো জন্য বেকুবের মতো শুধু করেই যাবা না ! সবসময় give and take ...
অরণ্য নাসিদ ক্লান্তিতে নুয়ে পড়েছে বুড়ো বট বৃক্ষ, অথচ একদিন শত মানুষ কে ছায়া দিয়েছে, একদিন বুক আগলে দাঁড়িয়ে ছিলো, ঝড়ের তান্ডব উপেক্ষা করে। আজ সে বৃদ্ধ, ডাল গুলো শুকিয়ে গেছে। নুয়ে পড়েছে, পাতা গুলো নিষ্প্রাণ তার। পাখিরাও আসে না, এখন আর। এক ঝাঁক সাদা বক রোজ নিয়ম করে, রাত্রি যাপনে আসতো এই বৃক্ষ শাখায়। আজ তারা খুজে নিয়েছে নতুন নিবাস। মানুষ গুলো রোজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করে, অথচ এক সময়, শীতল ছায়াতলে কত ক্লান্ত শরীর এখানে নুয়ে পড়ত। কেউ এখন খোজ রাখে না, তার! সামান্য বাতাসে ভেঙ্গে পরে, কুড়ালের আঘাতে ক্ষত হওয়া শাখা প্রশাখা। এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে প্রবীণ বট বৃক্ষ। সময়ের প্রয়োজনে, কত জন আপন হয়! অসময়ে সে জন কুড়াল দিয়ে আঘাত করে। আসলেই কেউ আপন নাই, শুধু সময়ের প্রয়োজনে আপন হবার অভিনয় ।
এলোমেলো আমি অরণ্য নাসিদ অভিমান ও অভিযোগ ভালোবাসা ও ছলনা। আমার দুই চোখ, দেখে ভিন্ন ভিন্ন। আমার দুই হাত এক হাতে স্বর্গ, অন্য হাতে নরক। কখনো ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়, কখনো দূরে হারিয়ে যেতে। কখনো তোমাকে দেখি - কখনো তোমার ছলনাকে। কখনো ক্ষোভে অভিমানে হই হিংস্র, কখনো তোমার আঁচলে মুখ লুকিয়ে ছোট্ট শিশু। কখনো কখনো ইশ্বর মনে হয় নিজেকে- সকল বাধাকে উপেক্ষা করে, সব নিয়ম কানুন- পদতলে রেখে হাসতে ইচ্ছে হয় বিজয়ের হাসি। কখনো কখনো নিজেকে বড় অপরাধী ভাবতে ইচ্ছে হয়। মনে হয় জগৎ জুড়ে যতো পাপ, সব কারনে মিশে আছি আমি! আমি যেন অলিখিত ইবলিশ শয়তান। নিজেকে নিয়ে ভাবতে বড্ড ভালো লাগে এখন - নিজেকে অবতার ভেবে! জনসস্মুখে মুচকি হেসে আসি ইচ্ছে হলে। দিন ও রাত সকাল ও সন্ধ্যা পৃথিবীর কক্ষ পথে পা রেখে চলে আমার অসঙ্গত ইচ্ছে ধারা। আমার মস্তিক জুড়ে এলোমেলো চিন্তাধারা আমি বোধ করি পাগল হয়ে যাচ্ছি। ছবি- গুগল
Comments
Post a Comment