অরণ্য নাসিদ ক্লান্তিতে নুয়ে পড়েছে বুড়ো বট বৃক্ষ, অথচ একদিন শত মানুষ কে ছায়া দিয়েছে, একদিন বুক আগলে দাঁড়িয়ে ছিলো, ঝড়ের তান্ডব উপেক্ষা করে। আজ সে বৃদ্ধ, ডাল গুলো শুকিয়ে গেছে। নুয়ে পড়েছে, পাতা গুলো নিষ্প্রাণ তার। পাখিরাও আসে না, এখন আর। এক ঝাঁক সাদা বক রোজ নিয়ম করে, রাত্রি যাপনে আসতো এই বৃক্ষ শাখায়। আজ তারা খুজে নিয়েছে নতুন নিবাস। মানুষ গুলো রোজ কুড়াল দিয়ে আঘাত করে, অথচ এক সময়, শীতল ছায়াতলে কত ক্লান্ত শরীর এখানে নুয়ে পড়ত। কেউ এখন খোজ রাখে না, তার! সামান্য বাতাসে ভেঙ্গে পরে, কুড়ালের আঘাতে ক্ষত হওয়া শাখা প্রশাখা। এক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে প্রবীণ বট বৃক্ষ। সময়ের প্রয়োজনে, কত জন আপন হয়! অসময়ে সে জন কুড়াল দিয়ে আঘাত করে। আসলেই কেউ আপন নাই, শুধু সময়ের প্রয়োজনে আপন হবার অভিনয় ।
"জীবিত ছিলাম না আমি" আমাকে একটি কবিতা লেখার অনুমতি দেওয়া হোক । আমাকে আমার মত করে জ্বলতে দেওয়া হোক । প্রেয়সীর গোলাপ পাপড়ী অধরে চুম্বন করে এসেছি , মায়ের আঁচলে সময় পেলে ,এখন ও মাথা রাখি । সময়ের মুখে লাথি মেরে ,বাবার কাঁধে মাথা রাখি । ভাইয়ের শাসন , বোনের আদরের রতন - তবুও আমি জ্বলতে জানি । আমার ভিতরে আর এক আমি , দিবা -নিশি কেঁদে ফিরে । মুক্তি চাই মুক্তি ! স্বাধীনতা দেখতে চাই । বিবেকের শরীরে পড়িয়ে দেওয়া বোরকা ছিরতে চাই আমি । বিবেকের শরীরে হাতরে হাতরে - তাকে যন্ত্রনা দিতে চাই । আমার শারীরিক ক্ষুধা আছে , আমার মানষিক ক্ষুধা আছে । সব ক্ষুধাকে জীবিত কবর দিয়ে এসেছি - তোমাদের এই তল্লাটে । আর কত লাশ , আর কত মায়ের বুক খালি হলে - তোমরা অপরাধ স্বীকার করবে ? কত বোনের নগ্ন শরীরে , তোমরা স্বীকার করবে - লম্পটের জম্মদাত্রী তোমরাই ? আকাশে শকুনের চিত্কার - এই বাংলার বুকে হিংস্র শুয়োরের তান্ডব । আমাকে লিখতে দাও , আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই ! আমি মরণকে খুজে ফিরি জম্ম জম্মান্তর । যেখানে স্বাধীনতা নেই , যেখানে বাক শক্তি কেড়ে নেওয়া হয়- যেখানে সাংবাদিকের কলম উল্টা চলে । যেখানে প্রতিবাদী কবি কে , দেশদ্রোহী...
এলোমেলো আমি অরণ্য নাসিদ অভিমান ও অভিযোগ ভালোবাসা ও ছলনা। আমার দুই চোখ, দেখে ভিন্ন ভিন্ন। আমার দুই হাত এক হাতে স্বর্গ, অন্য হাতে নরক। কখনো ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়, কখনো দূরে হারিয়ে যেতে। কখনো তোমাকে দেখি - কখনো তোমার ছলনাকে। কখনো ক্ষোভে অভিমানে হই হিংস্র, কখনো তোমার আঁচলে মুখ লুকিয়ে ছোট্ট শিশু। কখনো কখনো ইশ্বর মনে হয় নিজেকে- সকল বাধাকে উপেক্ষা করে, সব নিয়ম কানুন- পদতলে রেখে হাসতে ইচ্ছে হয় বিজয়ের হাসি। কখনো কখনো নিজেকে বড় অপরাধী ভাবতে ইচ্ছে হয়। মনে হয় জগৎ জুড়ে যতো পাপ, সব কারনে মিশে আছি আমি! আমি যেন অলিখিত ইবলিশ শয়তান। নিজেকে নিয়ে ভাবতে বড্ড ভালো লাগে এখন - নিজেকে অবতার ভেবে! জনসস্মুখে মুচকি হেসে আসি ইচ্ছে হলে। দিন ও রাত সকাল ও সন্ধ্যা পৃথিবীর কক্ষ পথে পা রেখে চলে আমার অসঙ্গত ইচ্ছে ধারা। আমার মস্তিক জুড়ে এলোমেলো চিন্তাধারা আমি বোধ করি পাগল হয়ে যাচ্ছি। ছবি- গুগল
Comments
Post a Comment